ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাকেরগঞ্জে তিনমাস অতিবাহিত হলেও আসামি গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ! সাংবাদিক জিএম ফারুক লিটুর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত বিএমপি কমিশনার পুত্র জারীফ সালেহ্’র গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন বরিশালে পাশ করতে পারেনি ৩১ হাজার পরীক্ষার্থী, ১১টি কলেজের সবাই ফেল! গৌরনদীতে চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল কর্মী গ্রেফতার বরিশালে ঈদগাহ মাঠ থেকে ১৪ বছরের কিশোর নিখোঁজ, থান‍ায় জিডি বরিশাল বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ সাংবাদিক মুজিব ফয়সালের ভগ্নিপতির মৃত্যুতে এস ‍এম জাকির হোসেনের শোক   কীর্তনখোলা নদীতে দুর্ঘটনার শিকার ৩০০ টন গমবাহী কার্গো  বাবুগঞ্জে ভুয়া নারী চিকিৎসককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা 
  • দুইজনের ফাঁসি কার্যকর, নথিতে ত্রুটি পায়নি কারা কর্তৃপক্ষ

    দুইজনের ফাঁসি কার্যকর, নথিতে ত্রুটি পায়নি কারা কর্তৃপক্ষ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    আইনি প্রক্রিয়া মেনেই চার বছর আগে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। উচ্চ আদালতের আপিলের রায়, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর, চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের মৃত্যু পরোয়ানা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির আলোকেই ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছিল। এ সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে সেই তথ্যই মিলেছে। নথি যাচাই সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত আপিল আবেদনের নম্বরের সঙ্গে ফাঁসি কার্যকর সংক্রান্ত নথিতে থাকা আপিল আবেদনের নম্বরে মিল নেই।

    ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর যশোর কারাগারে চুয়াডাঙ্গা জেলার মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার মেম্বার হত্যা মামলায় দুই আসামি পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা আবদুল মোকিম ও গোলাম রসুল ঝড়ুর ফাঁসি কার্যকর হয়।

    এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, আপিল (নং-১১১/২০১৩ ও ১০৭/২০১৩) এখনো শুনানি হয়নি। বুধবার আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ছিল। আপিল শুনানির আগেই দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।

    এদিকে ২০১৭ সালের ২৬ অক্টোবর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. কামাল হোসেন একটি অফিস নোট তৈরি করেন। সেই অফিস নোটে তিনি উল্লেখ করেন, মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বন্দি ঝড়ু ও মোকিম ওই রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশনে (জেল আলিল নং- ০৩/২০১৬) লিভ টু আপিল (নং-২৩/২০১৩) দায়ের করলে আদালত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ নভেম্বর প্রদত্ত রায়েও ওই দুইজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বন্দিদের ক্রিমিনাল আপিল ও জেল পিটিশন খারিজ হওয়ায় দণ্ড প্রদানকারী চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ ওই মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য পৃথক পৃথক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট অব এক্সিকিউটিব) ইস্যু করেন।

    এ প্রসঙ্গে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, ‘ওই দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর সংক্রান্ত যাবতীয় নথি যাচাই করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, আইনি প্রক্রিয়া মেনেই রায় কার্যকর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।’


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ