ঢাকা শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • কলাপাড়ায় জালে ধরা পড়লো ২৬ কেজির ভোল মাছ বরিশালে জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও শহীদের নামফলক স্থাপনের দাবি বিএম কলেজে হলের ছাদের পলেস্তারা খসে শিক্ষার্থী আহত সংসদের বিষয়কে রাজপথে এনে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চলছে: তথ্যমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশ: মার্কিন বিশেষ দূত রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় এখন তিন নাম ক্রীড়াই মাদক ও সন্ত্রাস থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখতে পারে: ইলেন ভূট্টো লালমোহনে পরকীয়ার অভিযোগে ছাত্রদল নেতাকে অব্যাহতি বানারীপাড়ায় সড়কের বেহাল দশা, খানাখন্দে বাড়ছে দুর্ঘটনা  গৌরনদীর যুবককে লিবিয়া নিয়ে নির্যাতন, একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি ইলিয়াস গ্রেপ্তার
  • বরিশালে জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও শহীদের নামফলক স্থাপনের দাবি

    বরিশালে জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও শহীদের নামফলক স্থাপনের দাবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের পুনর্বাসন এবং বরিশাল বিভাগের ১৩৭ জন জুলাই শহীদের স্মরণে নামফলক স্থাপনের দাবি উঠেছে। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিশেষ আলোচনা সভায় এসব দাবি জানান জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা। 

    ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি, বরিশাল বিভাগ’-এর উদ্যোগে এবং এ সংগঠনের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠিত সভায় জুলাই শহীদদের পরিবারের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।

    সভায় বক্তারা বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহত যোদ্ধাদের অনেকেই এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। তাদের চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি বরিশাল বিভাগের ১৩৭ জন শহীদের স্মৃতি সংরক্ষণে স্থায়ী নামফলক স্থাপন করা প্রয়োজন।

    জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বক্তারা বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে আহতদের পুনর্বাসন নিশ্চিত হলে তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন হবে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় জীবনের অনুপ্রেরণা। শহীদ পরিবারের পাশে থাকা এবং তাদের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সামাজিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব। তিনি শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও তাদের পরিবারের কল্যাণে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে বক্তৃতা দেন, শহীদ রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী মোসাম্মত মরিয়ম, শহীদ মো. জাকিরের মা মোসাম্মত হাওয়া, শহীদ রবিউল ইসলাম ফরাজীর স্ত্রী মোসাম্মত তানিয়া, শহীদ মহিউদ্দিনের পরিবারের প্রতিনিধি মো. ইমন, এমদাদুল হকের পরিবারের প্রতিনিধি মোসাম্মত হাচিনা, শহীদ রাসেল মাহমুদের পরিবারের প্রতিনিধি মিরাজ হাওলাদার, শহীদ মোসাম্মত সুমাইয়ার পরিবারের প্রতিনিধি মো. সাগর, শহীদ মো. সুজনের পরিবারের প্রতিনিধি মো. সিরাজুল ইসলাম, শহীদ সাজিদ হাওলাদারের পরিবারের প্রতিনিধি সুলতান হাওলাদার, শহীদ সিয়ামের ভাই রাসেল।

    এছাড়াও বক্তব্য দেন জুলাই অভ্যুত্থানের সংগঠক বরিশালের মাজহাবিব ইসলাম নাঈম, বিএম কলেজের সাবেক সমন্বয়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম, মো. আবুল কালাম আজাদ এবং রহমাতুল্লাহ সাব্বির।

    বক্তারা বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং তাদের পরিবারের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ