ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • সাগরে গভীর নিম্নচাপ, সোমবার তৈরি হতে পারে ঘূর্ণিঝড় উদ্বোধনী ম্যাচের মতো ডি থ্রি টি-টোয়েন্টির ফাইনালও বরিশালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ডোবায় ইতালি পরিবহন নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে জেলেদের নিউইয়র্ক স্টেটের বার পরীক্ষার সনদ পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তাসিন স্থানীয় নির্বাচন:  বরগুনায় ইসলামী আন্দোলনের ৪৫ প্রার্থী ঘোষণা ‎বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি ওমর ফারুক, সম্পাদক আল আমিন গাজী সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মানিকের লাশ দাফনে বাধা, গোপনে গার্ড অব অনার বরিশালে বিএনপি নেতার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের দখলকৃত জমি উদ্ধার ও মাজার কার্যক্রম বন্ধ নাজমুল হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ
  • নারীর চোখে আজব এক শক্তি, দেখতে পান প্রকৃতির ১০ কোটি রং

    নারীর চোখে আজব এক শক্তি, দেখতে পান প্রকৃতির ১০ কোটি রং
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    কনসেটা অ্যান্টিকোর ছোটবেলা থেকেই রঙের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। তার চোখ প্রকৃতিতে ছড়িয়ে থাকা ১০ কোটি রং চিনতে পারে। তিনি অল্প বয়স থেকেই এর প্রভাব দেখতে পান। সব কিছুই তাঁর কাছে অনেক রঙে দৃশ্যমান ছিল। সেই রঙের সাহায্যে ক্যানভাসে আঁকতেনও তিনি।

    একটি গবেষণার পর তিনি তার বিশেষ চোখের সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। বিশ্বে মাত্র এক শতাংশ মানুষ আছেন যারা বিশেষ চোখের অধিকারী। আসলে কনসেটার চোখ টেট্রাক্রোমেট। সাধারণ ভাষায়, তার চোখে ৩টির পরিবর্তে চারটি কোণ রয়েছে।

    চোখের এক কোণে এক কোটিরও বেশি রং চিনতে পারেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে চার-কোণ টেট্রাক্রোমেট চোখের ১০০ মিলিয়ন রং চেনার ক্ষমতা রয়েছে। বিশেষ চোখের কারণে কনসেটা সব কিছুর আসল রং দেখতে শুরু করেন। সাধারণ মানুষ এত রং দেখতে না পারলেও টেট্রাক্রোমেট চোখ দিয়ে অনেকে সেটা দেখতে পারেন।

    পড়াশোনা শেষ করে সান দিয়েগোতে চলে আসেন তিনি। ২০১২ সালের পর টেট্রাক্রোমেট চোখ নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়েছিল। সেই গবেষণা দেখায়, এই জাতীয় চোখ যাদের রয়েছে তাদের সন্তানের মধ্যে বর্ণান্ধতার ঝুঁকি থাকে। এর কিছুদিন আগে অ্যান্টিকোর মেয়ের মধ্যে বর্ণান্ধতা ধরা পড়ে। এই গবেষণা থেকে তিনি তার বিশেষ চোখ সম্পর্কে তথ্য পেয়েছেন।

    অ্যান্টিকো এখন বর্ণান্ধতার সঙ্গে লড়াই করা লোকেদের সাহায্য করছেন। মানুষের টেট্রাক্রোমেট চোখ সম্পর্কে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কিম্বারলি জেমসন বলেছেন, ১৫ শতাংশ নারীদের মধ্যে বিশেষ ধরনের জিন থাকে, যা এই ধরনের চোখের জন্য দায়ী।

    এই ধরনের চোখ শুধুমাত্র নারীদের মধ্যে পাওয়া যায়, পুরুষদের মধ্যে নয়। কারণ এই জিন এক্স ক্রোমোজোমকে প্রভাবিত করে। জিনের মিউটেশনের কারণে চোখে চতুর্থ শঙ্কু তৈরি হয়। এই ধরনের মানুষ বিশেষ জেনেটিক্স নিয়ে জন্মান।

    সূত্র: ডেইলি মেইল


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ