ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বরিশালের ৫ জেলাসহ ৪৩ জেলা, ডুবেছে ১ লাখ ১৪ হাজার হেক্টরের ফসল বরিশালে মাদক মামলায় রোহিঙ্গা তরুণীর ৩ বছরের কারাদণ্ড শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ মেহেন্দীগঞ্জে প্রবেশপত্রের সঙ্গে অসংগতি থাকায় এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি রিপা মুলাদীতে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল ২০০ পরিবারের  ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ইটের টুকরা নিক্ষেপ, তদন্ত করছে পুলিশ বরগুনার ইতিহাসে প্রথম ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল জমজ ৩ বোন শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পাথরঘাটায় বাজারে আগুন, ৩০ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত   সুন্দরবনে ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ ডাকাতের আত্মসমর্পণ
  • আজ বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস

     আজ বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০ ফেব্রুয়ারি। আজ ‘বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস’। জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০০৭ সালের ২৬ নভেম্বর আলোচনা করা হয় এবং সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ২০ ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস  পালিত হবে। আর সেই থেকে প্রতি বছর ২০ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় এই দিবস। এরপর ২০০৯ সালে দিবসটি প্রথমবার পালিত হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- ‘আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার অর্জন’।

    এ দিবস পালনের ধারণা আসে ১৯৯৫ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে সামাজিক উন্নয়নের ওপর অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত কোপেনহেগেন ঘোষণাপত্র এবং কর্মপরিকল্পনাটি যখন ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো সামাজিক উন্নয়ন কমিশনের বৈঠকে পর্যালোচনা করে।
     
    এই সংস্থাটি মনে করে, যেকোন দেশের সমৃদ্ধির জন্য সেই দেশের মধ্যে শান্তি বজায় থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি সেই দেশের সঙ্গে অন্যান্য দেশের সম্পর্কও হতে হবে শান্তিপূর্ণ। আর শান্তি বজায় থাকলেই একটি দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে। অন্যদিকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, বয়স বা সাংস্কৃতিক বৈষম্যের কারণে দেখা যায় যেকোনো দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবসময় পেছনেই পড়ে থাকে। এজন্য একটি সমাজ, দেশ বা রাষ্ট্রে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা লাভ করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে জাতিসংঘ।

    সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য বিশ্বায়নের ইতিবাচক দিকগুলোর সঙ্গে সঙ্গে বিপজ্জনক দিকগুলোর ওপরে দৃষ্টি ফেলার বিষয়টিকেও আবশ্যক মনে করে জাতিসংঘ।

    এছাড়াও বর্তমান রাষ্ট্রগুলো রাষ্ট্রের সকল জনগণের প্রাপ্য সঠিকভাবে নিশ্চিত করতে পারছে না। অথচ রাষ্ট্রের সকল জনগণের কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সব ধরণের মৌলিক অধিকার প্রদান করা একটি রাষ্ট্রের আবশ্য দায়িত্ব ও কর্তব্য। আর এই ভাবনা থেকেই জাতিসংঘ ২০০৭ সাল থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস পালন করে আসছে।

    এই দিনটি পালনের জন্য রাষ্ট্রসংঘ প্রত্যেক বছর একটি বিশেষ বিষয় বা প্রতিপাদ্য বেছে নেয়। যেমন- 

    ২০১৮ সালের প্রতিপাদ্য - কর্মীদের স্থানান্ত্র: সামাজিক ন্যায়ের অন্বেষণ। 
    ২০১৯ সালের প্রতিপাদ্য - আপনি যদি শান্তি ও উন্নয়ন চান তাহলে সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করুন। 
    ২০২০ সালের প্রতিপাদ্য - সামাজিক ন্যায়বিচার অর্জনের জন্য বৈষম্যমূলক গ্যাপ বন্ধ করা।
    ২০২১ সালের প্রতিপাদ্য -  ডিজিটাল অর্থনীতিতে সামাজিক বিচারের আহ্বান। 
    ২০২২ সালের প্রতিপাদ্য - আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার অর্জন। 


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ