ঢাকা রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী দুই শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ  রহমতের দশকে আত্মশুদ্ধির ডাক: আজ দ্বিতীয়  ভাঙনের কবলে বরগুনার পর্যটনস্পট শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত নকলের মতোই শিক্ষাঙ্গন হবে মাদক-সন্ত্রাস ও ইভটিজিং মুক্ত: শিক্ষামন্ত্রী দিনে ৬ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নির্দেশ দাবি আদায় বা আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ সহ্য করা হবে না যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়লো বিধি-বিধানের বাইরে কোনো কিছু বাস্তবায়ন করতে দেবো না: তথ্যমন্ত্রী  ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড
  • দুর্গাপুরে তীব্র পানির সংকট

    দুর্গাপুরে তীব্র পানির সংকট
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    অসহনীয় গরমে তীব্র পানি সংকটে নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী উপজেলা দুর্গাপুর। পাহাড়ি নদী সোমেশ্বরীর বুকে হাজারো ড্রেজারে বালু উত্তোলনে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে বলে দাবি পরিবেশবিদদের। তারা মনে করেন, আগামী কয়েক বছরে দুর্গাপুরে শুধু পানির জন্য হাহাকারই নয়, ধ্বংস হবে পুরো উপজেলাটি। টানা গত ১২ বছর ধরে যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনে মিলছে না এখন এক ফোটা পানিও।

    পরিবেশবিদ মো. অহিদুর রহমান বলেন, ২২ মার্চ পানি দিবস পালন করলেও আইন মানা হয় না। যেমন সোমেশ্বরী নদী থেকে বালু উত্তোলনে নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। এটিসহ কংস নদীকেও মেরে ফেলা হচ্ছে। এতে এলাকায় পানির সংকটসহ ভূমিকম্পের ভয়াবহ রকমের আশঙ্কা রয়েছে। নষ্ট হচ্ছে এই অঞ্চলের ইকোসিস্টেম। যে কারণে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ পোহাতে হবে এই এলাকার মানুষকে।

    জানা গেছে, উপজেলার প্রতিটি বাড়িতে টিউবওয়েল থাকলেও সারাদিন চাপ দিয়েও মিলছে না এক ফোটা পানি। তাই অনেকে বাধ্য হয়েই পুকুরে ময়লা পানি ফুটিয়ে পান করছেন। অনেকেই আবার কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে কাঁধে কিংবা মাথায় করে নিয়ে আসছে বিশুদ্ধ পানি। বিশুদ্ধ পানির জন্য কষ্ট করে আসছেন উপেজলার বেশ কয়েকটি গ্রামের হাজারো বাসিন্দা।
    ফেচিয়া গ্রামের সুভাসিনি হাজং বলেন, পানির সংকট এখন গ্রামের পর গ্রামজুড়ে। আমরা অনেক সময় বালুর নিচ থেকেও পানি তুলতে পারতাম। এখন সেটিও নেই। ময়লা পুকুর থেকেই খেতে হচ্ছে বাধ্য হয়ে।

    উপজেলার চন্ডিগড় ইউপির সাতাশি, ফেচিয়া, মধুয়াকোনা, মউ, সদর ইউপি, কুল্লাগড়া, বাকলজোড়া, কাকৈরগড়া, গাওকান্দিয়া, বিরিশিরি ইউপিসহ সর্বত্রই দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির এই সংকট। পৌর শহরের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে মাটির ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ ফুট নিচ থেকেও মিলছে না পানি।

    এদিকে, ময়লা পানি পান করার ফলে গ্রামজুড়ে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, জন্ডিসসহ বিভিন্ন প্রকার পানিবাহিত রোগের শঙ্কা বেড়েছে। তাই অনেকেই বাধ্য হয়েই ঋণ কিংবা জমি বিক্রয় করে ব্যক্তিগতভাবে বাড়িতেই গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। মধ্যবিত্তরা নলকূপ বসিয়ে পানি পানের ব্যবস্থা করলেও বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও হতদরিদ্র মানুষগুলো। 

    এ ব্যাপারে কথা বলতে নেত্রকোনা জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীবের মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ হয়নি। এতে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ