ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • মা আমাকে বিষ দাও

    মা আমাকে বিষ দাও
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ‘মা আমাকে বিষ দাও, আমি আর ব্যথার যন্ত্রণা সইতে পারছি না’—এভাবেই মায়ের কাছে আকুতি জানিয়েছেন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়া হতভাগা রাশি আক্তার (১৫)। রাশির দুটি কিডনিই নষ্ট। চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু পথযাত্রী এই কিশোরী চিকিৎসা নিয়ে বাঁচতে চায়। 

    সে উপজেলার বালালী গ্রামের ভ্যানচালক মোলামিন খানের মেয়ে। ২০২১ সালে বালালী বাঘমারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করলেও কলেজে আর ভর্তি হতে পারেনি রাশি আক্তার। 

    গত এক বছর হল তার দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। সামান্য ভিটেমাটি ছাড়া যেটুকু জমি ও গবাদিপশু ছিল তা সব বিক্রি করে এতোদিন চিকিৎসার খরচ চালিয়েছেন করছেন রাশির ভ্যান চালক বাবা মোলামিন খান। বর্তমানে টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছেন না। ঋণ করে একদিকে চিকিৎসা খরচ অন্যদিকে সাংসারিক খরচ চালাতে গিয়ে এখন দিশেহারা তিনি। 

    ‘সপ্তাহে দুদিন দিতে হয় এ পজেটিভ রক্ত। সেখানেও প্রতি যাতায়তসহ সপ্তাহে খরচ হয় ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া একদিন পর পর ডায়ালাইসিস করাতে হয়। সেখানেও সপ্তাহে খরচ করতে হয় ৫ হাজার টাকা। এতোদিন চিকিৎসা করানো হলেও খরচ ব্যয়বহুল হওয়ায় টাকার অভাবে এখন আর উন্নত চিকিৎসা করানো যাচ্ছে না। বর্তমানে মেয়েটি বাসাতেই মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। 

    মেয়েটির মা রিপনা বেগম বলেন, গত কয়েক দিন যাবত আমার মেয়ে আর বিছানা থেকে উঠতে পারছে না। বার বার বলছে মা আমি আর ব্যথা সইতে পারছি না। আমাকে বাজার থেকে বিষ এনে দাও আমি আর বাচঁতে চাই না। 

    এদিকে মেয়েটির বাবা মোলামিন খান বলেন, আমি ভ্যান চালক কোনো দিন কাজ পাই আবার কোনো দিন পাই না। আমার হালের একটি ষাঁড় ও কিছু জমি ছিল তা সব বিক্রি করেছি। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা আমার মেয়ের চিকিৎসার পিছনে ব্যয় করেছি। এখন আমি আর পারছি না। মেয়েটি বাড়িতে থেকেই দিন দিন দুর্বল হয়েছে যাচ্ছে। আমার মেয়েকে বাচাঁতে অনেক টাকার প্রয়োজন তাই উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও দেশে বিদেশে বিত্তশালীরা যদি আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করেন তাহলে হয়তো তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে।  


    আরএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ