ঢাকা রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পাকিস্তানে সামরিক কর্মীদের বহনকারী ট্রেনে বিস্ফোরণ, নিহত ২৪ বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২ ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কে বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের পিতার মৃত্যুবার্ষিকী আজ  বিএম কলেজের ফিজিক্স ভবনে সম্মেলনের মাধ্যমে ‘জাগৃহী খেলাঘর’র নতুন কমিটি ঘোষণা কালের কন্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক ও সেরা রিপোর্টার হলেন সুহাদ  অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের ইন্তেকাল শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মাননা পেয়ে বাড়িতে ফেরার পর শিক্ষককে হত্যার হুমকি আগৈলঝাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক পেলেন ৬শিক্ষক বরিশাল জেলা শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন গৌরনদীর হুসনে আরা
  • মা আমাকে বিষ দাও

    মা আমাকে বিষ দাও
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ‘মা আমাকে বিষ দাও, আমি আর ব্যথার যন্ত্রণা সইতে পারছি না’—এভাবেই মায়ের কাছে আকুতি জানিয়েছেন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়া হতভাগা রাশি আক্তার (১৫)। রাশির দুটি কিডনিই নষ্ট। চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু পথযাত্রী এই কিশোরী চিকিৎসা নিয়ে বাঁচতে চায়। 

    সে উপজেলার বালালী গ্রামের ভ্যানচালক মোলামিন খানের মেয়ে। ২০২১ সালে বালালী বাঘমারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করলেও কলেজে আর ভর্তি হতে পারেনি রাশি আক্তার। 

    গত এক বছর হল তার দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। সামান্য ভিটেমাটি ছাড়া যেটুকু জমি ও গবাদিপশু ছিল তা সব বিক্রি করে এতোদিন চিকিৎসার খরচ চালিয়েছেন করছেন রাশির ভ্যান চালক বাবা মোলামিন খান। বর্তমানে টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছেন না। ঋণ করে একদিকে চিকিৎসা খরচ অন্যদিকে সাংসারিক খরচ চালাতে গিয়ে এখন দিশেহারা তিনি। 

    ‘সপ্তাহে দুদিন দিতে হয় এ পজেটিভ রক্ত। সেখানেও প্রতি যাতায়তসহ সপ্তাহে খরচ হয় ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া একদিন পর পর ডায়ালাইসিস করাতে হয়। সেখানেও সপ্তাহে খরচ করতে হয় ৫ হাজার টাকা। এতোদিন চিকিৎসা করানো হলেও খরচ ব্যয়বহুল হওয়ায় টাকার অভাবে এখন আর উন্নত চিকিৎসা করানো যাচ্ছে না। বর্তমানে মেয়েটি বাসাতেই মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। 

    মেয়েটির মা রিপনা বেগম বলেন, গত কয়েক দিন যাবত আমার মেয়ে আর বিছানা থেকে উঠতে পারছে না। বার বার বলছে মা আমি আর ব্যথা সইতে পারছি না। আমাকে বাজার থেকে বিষ এনে দাও আমি আর বাচঁতে চাই না। 

    এদিকে মেয়েটির বাবা মোলামিন খান বলেন, আমি ভ্যান চালক কোনো দিন কাজ পাই আবার কোনো দিন পাই না। আমার হালের একটি ষাঁড় ও কিছু জমি ছিল তা সব বিক্রি করেছি। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা আমার মেয়ের চিকিৎসার পিছনে ব্যয় করেছি। এখন আমি আর পারছি না। মেয়েটি বাড়িতে থেকেই দিন দিন দুর্বল হয়েছে যাচ্ছে। আমার মেয়েকে বাচাঁতে অনেক টাকার প্রয়োজন তাই উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও দেশে বিদেশে বিত্তশালীরা যদি আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করেন তাহলে হয়তো তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে।  


    আরএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ