উদ্বোধনী মঞ্চ হবে পদ্মা সেতুর আদলে: চিফ হুইপ

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল ‘পদ্মা সেতু’র আদলেই মঞ্চ তৈরি হচ্ছে। এ অনুষ্ঠানের সবকিছুই পদ্মা সেতুর আদলে হবে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জনসভাস্থল শিবচরের বাংলাবাজার ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ঘাট পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন এলজিইডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি। এসময় জনসভাস্থলের সর্বশেষ অগ্রগতি ছাড়াও আগত মানুষের স্যানিটেশন, পানীয় ব্যবস্থা, সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অগ্রগতির খবর নেন তারা।
চিফ হুইপ বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা শিবচরের মাটিতে হওয়ায় আমরা অনেক সৌভাগ্যবান এবং তাকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। আমাদের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, কর্মকর্তারা এখানে পরিদর্শনে আসছেন। আশা করি কোনো ধরনের সমস্যা হবে না। বরিশালসহ বিভিন্ন চরাঞ্চল থেকে অনেক মানুষ লঞ্চে আসবেন। লঞ্চে যারা আসবে তাদের খুব বেশি হলে ১০০ গজ হাঁটতে হবে জনসভাস্থলে আসতে। উদ্বোধনের পরে এই মঞ্চেই আমরা ৭ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করবো। আরো কিছু চমক থাকবে। আমরা মনে করি যারা পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখবে না তারা অনেক কিছু মিস করবে।
এলজিইডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে গিয়ে দেশে এবং দেশের বাইরে অনেক প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেছেন। সকল প্রতিকূলতাকে তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করে আজকে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন। আগামী ২৫ জুন তিনি পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এখানে ১৫-২০ লাখ মানুষের সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। সারা বাংলাদেশের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাস্তা ঘাটের সব সমস্যা সমাধান করা হবে। আর জনসভাস্থলে ৫০০ টয়লেট স্থাপন করা হচ্ছে। পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মানুষ সুপেয় পানি যাতে পান করতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী এই জনসভার দেখভাল করছেন। তিনি নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে সকল কার্যক্রম দেখভাল করছেন। আমরা যা দেখলাম তাতে মনে হচ্ছে জনসভাকে সফল করতে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাজন নদীর পরেই পদ্মা নদী খরস্রোতা। এমন খরস্রোতা নদী খুব কমই আছে। এই খরস্রোতা নদীতে সেতু করার সাহস প্রধানমন্ত্রী দেখিয়েছেন। আমাজনেও সেতু করার সাহস কেউ দেখাতে পারেনি। এই সেতুর মাধ্যমে দুই অঞ্চলের মধ্যে একটি সংযোগ স্থাপন হয়েছে। এই সেতুর কারণে দক্ষিলণাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থারই পরিবর্তন হবে।
এএজে