ঢাকা শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণে ‘ওয়াক আউট’ করেছে জামায়াত জোট বিএম কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ইফতারের আগেই পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো বাংলাদেশ ভাইরাল ভিডিওতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, আরেক আসামি ব্যাংক ম্যানেজার সাংবাদিক মাসুম মিজ‍ানের বিরুদ্ধে মামলায় ডিআরইউর তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ সংস্কারের পর নতুন রূপে সংসদ ভবন, বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে অধিবেশন টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো বাংলাদেশ বিভাগীয় শহরে জ্বালানি তেল সরবরাহের নতুন নির্দেশনা লাইসেন্স জটিলতায় থেমে গেছে ব্রিজের কাজ, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা জ্বালানি তেলে অনিয়ম রোধে ডিসিদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ
  • বাউফলে ভূমিহীন ও গৃহহীন যাচাই-বাছাই করতে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি দল গ্রামে

    বাউফলে ভূমিহীন ও গৃহহীন যাচাই-বাছাই করতে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি দল গ্রামে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করার লক্ষ্যে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের যাচাই-বাছাই করতে আজ মঙ্গলবার সরেজমিন পরিদর্শনে এসেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের একটি দল।

    ওই সদস্যের মধ্যে ছিলেন তিনজন এডিসি, চারজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। তাঁরা এ উপজেলার ধূলিয়া, চন্দ্রদ্বীপ, কেশবপুর, কালিশুরী, কাছিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গ্রামে গ্রামে সরেজমিনে ঘুরে  ‍ঘুরে চারশ ৬০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার যাচাই-বাছাই করেছেন।

    বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমিন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ৩৯৪ বর্গফুট আয়তনের দুই কক্ষবিশিষ্ট প্রতিটি গৃহে একটি করে শৌচাগার, রান্নাঘর ও বারান্দা থাকবে। প্রতিটি গৃহ নির্মাণে ব্যয় হবে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। দুই দফায় এ উপজেলায় তিনশ ৯৪ গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। আরও চারশ ৬০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানপূর্বক প্রতিটি পরিবারকে একটি করে সেমিপাকা গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নেতৃত্বে একটি দল গ্রামে গ্রামে ঘুরে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার যাচাই-বাছাই করেছেন।

    কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুরের গ্রামের বাসিন্দা ঠিকাদার মো. গোলাম হোসেন সিকদার (৬৫) বলেন, একজন জেলা প্রশাসক বৃষ্টি ও কাদার মধ্যে পায়ে হেটে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের যাচাই-বাছাই করেছেন। এটা ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য সৌভাগ্য। এ কারণে কোনো তদবির ছাড়াই তাঁর এলাকার প্রকৃত  ভূমিহীন ও গৃহহীন ২৮ ব্যক্তি ভূমিহীন ও গৃহহীনদের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে পারবেন।

    মমিনপুর গ্রামের বিধবা মোসা. কুলসুম বেগম (৫৫) ও মমতাজ বেগম (৪৫)। তাঁদের কোনো জমি ও ঘর নাই। অভিন্নভাবে দুজনে বলেন,‘হুনছি য্যাগো (যাঁদের) জমি ও ঘর নাই, হ্যাগো  (তাঁদের) বলে সরকার জমি ও ঘর কইরা দিবে। হেইয়ার লইগা জেলার বড় স্যারে (জেলা প্রশাসক) কাদার মধ্যে আইয়া আমাগো লগে কথা কইছে। আমাগো খোঁজ-খবর নিছে। এইবার মনে হয় আমরা ঘর পামু।’


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ