ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • উপকূলের নিরাপত্তা ও নির্বাচনে নৌবাহিনীর ভূমিকা প্রশংসনীয়: নৌপ্রধান বরিশালে তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা মোবাইল প্রযুক্তিতে আস্থার প্রতীক ভোলার মেয়ে মহিমা ঝালকাঠিতে মোটর চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত চোর মুলাদীতে জেলেসহ নৌকা ডুবিয়ে দিল নৌ পুলিশ, বিক্ষোভ টানা ১৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পবিপ্রবি ১০ লাখ কর্মসংস্থান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অঙ্গীকার             আগামী ৫ জুন শেবাচিম হাসপাতালে চালু হচ্ছে হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট মঠবাড়িয়ার টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার শিশু মৃত্যুর অভিযোগ শেবাচিম হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু নিয়ে স্বজন-ইন্টার্ন চিকিৎসকদের তুলকালাম
  • হামের ১৫ লাখ টিকা এলো দেশে

    হামের ১৫ লাখ টিকা এলো দেশে
    শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার চালান গ্রহণ করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ইউনিসেফ ও গাভির মাধ্যমে হামের ১৫ লাখ এবং টিটেনাস-ডিপথেরিয়ার (টিডি) ৯ লাখ ভ্যাকসিন দেশে এসেছে।

    বুধবার (৬ মে) দুপুরে এসব ভ্যাকসিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

    এ উপলক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে ইপিআই কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমান সরকার এটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে ভ্যাকসিন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সরাসরি ইউনিসেফের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, সরকার এরই মধ্যে ৮৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইউনিসেফকে প্রদান করেছে, যার মাধ্যমে ১০ ধরনের প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হচ্ছে। ৩ মে প্রথম চালানে ১৫ লাখের বেশি আইপিভি ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছায়। আজ ৬ মে আরও ১৫ লাখ ডোজ এমআর এবং লাখ ডোজ টিডি ভ্যাকসিন এসেছে।

    মন্ত্রী আরও জানান, আগামী ১০ মে’র মধ্যে আরও প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ বিভিন্ন ধরনের ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছাবে এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরো সরবরাহ সম্পন্ন হবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ চালু রয়েছে।

    সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ৫ মে পর্যন্ত ১ কোটি ৬৮ লাখের বেশি শিশু টিকা পেয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৩ শতাংশ। শিগগির শতভাগ কভারেজ অর্জন সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে টাইফয়েডের (টিসিভি) ও হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি)-এর ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন সরবরাহের ফলে আগামী ৮ থেকে ১২ মাস অন্য কোনো ভ্যাকসিনের ঘাটতি হবে না। কোল্ড চেইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে ইউনিসেফ কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।

    মন্ত্রী শিশুদের টিকাদান নিশ্চিতে অভিভাবক, শিক্ষক, কমিউনিটি লিডার ও ধর্মীয় নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

    ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এডিবিসহ সব উন্নয়ন সহযোগীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং টিকাদান কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    এসময় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ইউনিসেফের বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ