ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাকেরগঞ্জে তিনমাস অতিবাহিত হলেও আসামি গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ! সাংবাদিক জিএম ফারুক লিটুর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত বিএমপি কমিশনার পুত্র জারীফ সালেহ্’র গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন বরিশালে পাশ করতে পারেনি ৩১ হাজার পরীক্ষার্থী, ১১টি কলেজের সবাই ফেল! গৌরনদীতে চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল কর্মী গ্রেফতার বরিশালে ঈদগাহ মাঠ থেকে ১৪ বছরের কিশোর নিখোঁজ, থান‍ায় জিডি বরিশাল বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ সাংবাদিক মুজিব ফয়সালের ভগ্নিপতির মৃত্যুতে এস ‍এম জাকির হোসেনের শোক   কীর্তনখোলা নদীতে দুর্ঘটনার শিকার ৩০০ টন গমবাহী কার্গো  বাবুগঞ্জে ভুয়া নারী চিকিৎসককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা 
  • আশ্রয়ণ প্রকল্প

    ‘মেম্বার ১০ হাজার টাহা চাইছে, টাহা দেলে ঘর দেবে’

    ‘মেম্বার ১০ হাজার টাহা চাইছে, টাহা দেলে ঘর দেবে’
    ছবি: সংগৃহীত 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    পটুয়াখালীর বাউফলে প্রকৃত ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বঞ্চিত করে অর্থের বিনিময়ে ১৫টি সচ্ছল পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার ইয়াকুব আলী মোল্লার বিরুদ্ধে।

    সচ্ছল ১৫ জনের কাছ থেকে ২০-৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে ঘর দেওয়ার অভিযোগ এনে গত মঙ্গলবার বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেছেন কাছিপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচজন বাসিন্দা।

    লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ভুমিহীন ও গৃহহীনদের আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে চতুর্থ ধাপে বাউফল উপজেলার পূর্ব কাছিপাড়া ইউনিয়নের বাজারের দক্ষিণ পাশে গত ২৩ আগস্ট ২১টি ঘর হস্তান্তর করা হয়। 

    তবে এর মধ্যে ১৫টি ঘরের মালিক সচ্ছল ব্যক্তি। তাদের জমি ও বাড়ি রয়েছে। অথচ প্রকৃত গৃহহীন ও ভ‚মিহীনদের ঘর দেওয়ার জন্য ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ইয়াকুব আলী মোল্লা ঘরপ্রতি ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। ২০-৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে সচ্ছল ব্যক্তিদের ঘর দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী কবির হোসেন বলেন, মুজিববর্ষের ঘর বিতরণে মেম্বার অনিয়ম করেছেন। এজন্য আমি মেম্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগে সই দিয়েছি। তিনি আমাকেও মারধরও করেছেন।

    কাছিপাড়া ইউনিয়নের চর রঘুনদ্দি গ্রামের বাসিন্দা বকুলি বেগম বলেন, আমার কিচ্ছু নাই। পোতা, বাড়ি সব নদীতে লইয়া গেছে, হেরপরও আমি ঘর পাই নাই। জাগো ঘর আছে হেগোই সরকারে ঘর দেছে। মেম্বার ১০ হাজার টাহা চাইছে, টাহা দেলে ঘর দেবে। কিন্তু টাহাও দেতে পারি নাই, ঘরও দেয় নাই।

    এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়ন ভ‚মি উপ-সহকারী জি এম মাহবুবকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির গাজী। এরই মধ্যে পাঁচটি ঘরের বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

    এ বিষয়ে কনকদিয়া ইউনিয়ন ভ‚মি উপ-সহকারী জি এম মাহবুব বলেন, সরেজমিনে পাঁচটি ঘরের বিষয়ে তদন্ত করেছি। এর মধ্যে অনেকগুলোরই অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

    অভিযুক্ত ইউপি মেম্বার ইয়াকুব আলী মোল্লা বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আর আমি কাউকে মারধরও করিনি। বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির গাজী বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিষয়টি সংশোধন করা হবে। এখনো সংশোধনের সুযোগ আছে।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ