ঢাকা রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী দুই শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ  রহমতের দশকে আত্মশুদ্ধির ডাক: আজ দ্বিতীয়  ভাঙনের কবলে বরগুনার পর্যটনস্পট শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত নকলের মতোই শিক্ষাঙ্গন হবে মাদক-সন্ত্রাস ও ইভটিজিং মুক্ত: শিক্ষামন্ত্রী দিনে ৬ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নির্দেশ দাবি আদায় বা আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ সহ্য করা হবে না যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়লো বিধি-বিধানের বাইরে কোনো কিছু বাস্তবায়ন করতে দেবো না: তথ্যমন্ত্রী  ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড
  • বিপৎসীমার ওপরে সুরমা, বাড়ছে কুশিয়ারার পানি

    বিপৎসীমার ওপরে সুরমা, বাড়ছে কুশিয়ারার পানি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত না হলেও উজান থেকে ঢল নামা অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে কয়েকটি পয়েন্টে পানি কমলেও সেটি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার (৩ মে) বিকেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের তথ্যমতে, সন্ধ্যা ছয়টায় কুশিয়ারা নদীর পানি আমলশীদ পয়েন্টে ১২ দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় আমলশীদ পয়েন্টে ১১ দশমিক ১১ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছিল। এ পয়েন্টে শুষ্ক মৌসুমে পানির বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার।


    এছাড়া কুশিয়ারার পানি শুক্রবার সকাল থেকে শেওলা পয়েন্টে ৯ দশমিক ৮৯ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ পয়েন্টে শুষ্ক মৌসুমে পানির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় শেওলা পয়েন্টে ৮ দশমিক ৫১ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়।

    অন্যদিকে সুরমা নদীর পানি কিছুটা কমলেও সেটি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। এ নদীর পানি শুক্রবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত কানাইঘাট পয়েন্টে ১১ দশমিক ৩ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে ১১ দশমিক ১১ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। শুষ্ক মৌসুমে নদীর এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার।

    এছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যায় সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে ৮ দশমিক ১৯ সেন্টিমিটার এবং ছাতক পয়েন্টে ৫ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এরআগে বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট পয়েন্টে ৬ দশমিক ৯৭ সেন্টিমিটার ও ছাতক পয়েন্টে ৫ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। শুষ্ক মৌসুমে সিলেট পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার ও ছাতক পয়েন্টে ৭ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার।

    এদিকে সারি নদীর পানিও কিছুটা কমেছে। শুক্রবার বিকেলে এ পয়েন্টে ৯ দশমিক ২৯ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এরআগে বৃহস্পতিবার ১১ দশমিক ৮৭ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। একইভাবে কমেছে পিয়াইন নদীর পানি। এ নদীর পানি বৃহস্পতিবার ৯ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হলেও আজ শুক্রবার ৮ দশমিক ৩২ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    এদিকে পাহাড়ি ঢলে জৈন্তাপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও শুক্রবার অনেক এলাকায় পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নতুন করে অনেক ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাস জাগো নিউজকে বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়ায় শুধু পাহাড়ি ঢলই নামছে। এতে করে কয়েকটি নদনদীতে পানি কমছে। তবে বরাক দিয়ে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। বরাকের সিংহভাগ পানি কুশিয়ারা দিয়ে প্রবাহিত হয়। যার কারণে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ