তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন


পিরোজপুর জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদের মুখে এক নামেই উচ্চারিত হয়—অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে তাঁর নেতৃত্ব এখন শুধু আনুষ্ঠানিক পদ নয়, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কাছে একরকম আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। কেন তাঁকে ঘিরে এমন আস্থা? এর পেছনে রয়েছে ত্যাগ, নিষ্ঠা আর অবিচল থেকে চলা দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস।
দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বারবার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। কারাভোগ করেছেন দিনের পর দিন, মাসের পর মাস। তবু দমে যাননি, আন্দোলনের মাঠ ছাড়েননি, বরং নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করে রেখেছেন নিজের দৃঢ় মনোবল আর সাহস দিয়ে।
তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এই ত্যাগের গল্পই আজ তাঁকে তৃণমূলের কাছে আরও আপন করে তুলেছে। একজন উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি নেতা বলেন, অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন যখন জেলে ছিলেন, তখনো তিনি আমাদের খোঁজ-খবর নিতেন, পরামর্শ দিতেন। উনি সবসময় আমাদের সাহস যুগিয়েছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলছেন, জেলা বিএনপির প্রতিটি স্তরে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন যে ধৈর্য ও সহনশীলতার উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন, তা খুব বেশি দেখা যায় না। মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তারি হুমকি, হামলার শিকার হয়েও তিনি পিছু হটেননি। বরং রাজপথে থেকে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেছেন, জেলা বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন।
তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের এই ত্যাগ-তিতিক্ষাই প্রমাণ করে, তিনি শুধু একজন নেতা নন—তাঁরা তাঁকে দেখেন আন্দোলন-সংগ্রামের এক জীবন্ত প্রতীক হিসেবে। এই কারণেই তাঁরা মনে করেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে জেলা বিএনপিকে আবারও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে তাঁর মতো সৎ, অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের বিকল্প নেই।
একজন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা বলেন, ‘উনি বারবার মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন, কিন্তু কখনো আমাদের একা ফেলেননি। আমরা মনে করি, এমন নেতা থাকলে আমাদের আর কোনো ভয় নেই।’
নেতাকর্মীদের আশা, অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের মতো মানুষের হাতে নেতৃত্ব থাকলে শুধু জেলা বিএনপি নয়, সাধারণ মানুষও নতুন করে বিএনপির প্রতি আস্থা ফিরে পাবে। তাঁদের ভাষায়, তিনি আমাদের কেবল নেতা নন, তিনি আমাদের লড়াই-সংগ্রামের সাহস।
এইচকেআর
