পটুয়াখালী-৩: আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নুরুলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিভিল জজ (বরিশাল) সাব্বির মো. খালিদ এ নোটিশ জারি করেন।
২৭ জানুয়ারি নুরুল হকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি। তিনি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক।
অভিযোগে বলা হয়, ২৬ জানুয়ারি রাতে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলা বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং তাঁর কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে আহত করা হয়। এ ঘটনা বিধিমালা ৬ (ক) ধারার পরিপন্থী বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রার্থী নুরুল হক তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় হাসান মামুনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৫ (ক) এবং ১৬ (গ) (ছ) ধারা লঙ্ঘন।
এ ঘটনায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি নুরুল হকের বিরুদ্ধে কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি সশরীর অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে নুরুল হক নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আবু নাঈম বলেন, ‘কোনো ঘটনায় বিচার প্রার্থনা করা নাগরিক অধিকার। তবে ২৬ জানুয়ারি রাতে চরবোরহানের ঘটনায় হাসান মামুনের কর্মী-সমর্থকেরাই প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে হাসান মামুনই এগিয়ে। আমরা শিগগিরই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ দেব।’
এইচকেআর