দৌলতখানে বইছে ইউপি নির্বাচনের হাওয়া, ত্যাগীদের প্রাধান্য চায় কর্মীরা

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোলার দৌলতখানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানারে ছেয়ে গেছে। নেতাকর্মীরাও নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
দলীয় সমর্থন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরাও আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছেন। খেলাধুলা, বিবাহের অনুষ্ঠান ও সামাজিক নানা আচার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে মানুষের কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
হাট-বাজারে চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে সর্বত্রই চলছে ইউপি নির্বাচনের আলোচনা।
উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে কারা পাবেন দলীয় সমর্থন-এনিয়েও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন সম্ভাব্য প্রার্থীর সমর্থকরা। তবে ইউনিয়নের বেশিরভাগ কর্মীদের দাবি, ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে দলের দুর্দিনে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ও পরিক্ষীতদের মূল্যায়ন করতে হবে।
কর্মীরা বলছেন, নির্বাচন সামনে এলেই ইউনিয়ন পর্যায়ে নতুন করে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহী ব্যক্তিদের তৎপরতা বেড়ে যায়। দলের দুঃসময়ে আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে থাকা নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে হঠাৎ সক্রিয় হওয়া বা সুযোগসন্ধানীদের প্রাধান্য দেওয়া হলে তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হবে।
কর্মীদের দাবি, প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা, জনসম্পৃক্ত এবং স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্ব দিতে হবে।
উপজেলা শ্রমিক দলের নেতা সিরাজ বলেন, দলের দুঃসময় যারা রাজপথে ছিলেন, মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন এবং সংগঠনের জন্য কাজ করেছেন- তাদের মূল্যায়ন করা উচিত।
চরখলিফা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বাবুল হাওলাদার বলেন, যিনি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং দলের জন্য কাজ করেছেন তাকে দল থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করতে হবে।
সৈয়দপুর ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ইউনিয়ন নির্বাচনে দলের প্রার্থী প্রভাবশালী ও অর্থবিত্তশালী হলেই চলবেনা। তাদের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক থাকতে হবে।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ফখরুল আলম টপি বলেন, যারা বছরের পর বছর দলের জন্য সময় দিয়েছেন, মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন -তাদের বাদ দেওয়া হলে কর্মীদের মধ্যে হতাশাসৃষ্টি হবে।
এইচকেআর