ঢাকা শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • রাষ্ট্রপতির শপথ: বঙ্গভবনে প্রবেশ করছেন অতিথিরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে উচ্ছেদ হওয়া পার্কের জায়গা দখলের চেষ্টা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী অস্ত্র মামলায় ২০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি একযুগ পর গ্রেপ্তার দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ভোলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার ভোলায় এক কাঁচা সড়কে ৪০ বছরেও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া অন্যের ভিডিওতে কপিরাইট দাবি, শাইখ সিরাজকে লিগ্যাল নোটিশ ধানমন্ডি ৩২-এ হামলা: ড. ইউনূস-হাসনাতসহ ২৭ জনের নামে মামলার আবেদন খারিজ
  • মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ, ফের বাংলাদেশে শরণার্থী আসার আশঙ্কা

    মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ, ফের বাংলাদেশে শরণার্থী আসার আশঙ্কা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মিয়ানমারের আকাশে গৃহযুদ্ধের মেঘ জমেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের আতঙ্কিত হওয়া উচিত বলে মনে করছেন নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। কারণ এমন পরিস্থিতিতে আবারও মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে শরণার্থীদের ঢল নামতে পারে। এর ফলে বাড়তে পারে মানবপাচারের ঘটনাও।

    তারা বলছেন, মিয়ানমারে যদি পুরো মাত্রায় দ্বন্দ্ব শুরু হয় সেক্ষেত্রে সশস্ত্র ব্যক্তিরা বাংলাদেশে ঢুকে যেতে পারে। এর ফলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এবং আঞ্চলিক কানেক্টিভিও হুমকির মুখে পড়তে পারে। গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের পর এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    পরবর্তীতে সামরিক সরকারের বিরোধিতা করে ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) এমপি এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা মিলে জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকার গঠন করে। এই সরকারকে প্রেসিডেন্ট করা উইন মিন্টকে আর স্টেট কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় সু চিকে।

    এই ছায়া সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার চেষ্টা করছে। দেশের ভেতরেও গণতন্ত্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো এক করার চেষ্টা করছে। এমনকি তারা পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ) নামে সশস্ত্র শাখাও তৈরি করেছে। তবে গত ৮ মে পিডিএফ’কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার।

    স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মিয়ানমারের বিভিন্ন অংশে বিক্ষিপ্তভাবে হামলার ঘটনা ঘটছে। সবশেষ গত ৫ জুন গ্রামবাসীর সঙ্গে লড়াইয়ে মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ২০ জন নিহত হয়। জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকারের মুখপাত্র ড. সাসা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মিয়ানমারের জনগণের সামনে আর কোনও পথ খোলা নেই।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ