ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে পুলিশের আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান বিচ কার্নিভালে উৎসবের আমেজে মাতোয়ারা লক্ষাধিক পর্যটক বরিশাল প্রেসক্লাব অডিটোরিয়াম সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন বিসিসি প্রশাসক শিরীন ইতালিতে একের পর এক ১২টি ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি কাশিপুরে গ্যাসের গোডাউন থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার মাল‍ামাল চুরি  এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে থাকা পুকুর পরিষ্কারের উদ্যোগ বাকেরগঞ্জে স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধের জেরে যুবকের আত্মহত্যা ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেতে পারে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বরিশালে ‍ইয়াবাসহ চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রেফতার মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সিসিটিভি ক্যামেরা অচল, অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে 
  •  ঢাবি অধ্যাপকের পদত্যাগ দাবি

     ঢাবি অধ্যাপকের পদত্যাগ দাবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায় নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর এ আবেদন করেন তিনি। 

    রোববার (২৫ জুলাই) অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায় বলেন, শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবর অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনের পদত্যাগের জন্য একটি আবেদন করেছি। একই সঙ্গে এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় একটি অভিযোগ করেছি। অভিযোগটি বর্তমানে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট তদন্ত করছে। 

    পদত্যাগপত্রের দাবি জানিয়ে সুমন কুমার রায় তার আবেদনে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বনামধন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়। গত ২৩ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন সনাতন ধর্ম ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর ফেসবুকে অবমাননাকর পোস্ট করেন। যার দ্বারা সারা বিশ্বের কোটি কোটি সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। উক্ত পোস্টের মাধ্যমে তিনি যথেষ্ট নিম্ন রুচির ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। 

    আবেদনে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে পোস্টটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ইতোমধ্যে সারা বিশ্ব পোস্টদাতার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সোচ্চার হচ্ছে। এই পোস্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠন ইতোমধ্যে উক্ত শিক্ষকের প্রতি তীব্র ঘৃণাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করেছেন। মানুষ গড়ার কারিগরের এরকম অভদ্র ব্যবহার কোনোভাবেই কাম্য নয়। 

    আবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের হিন্দু আইনজীবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাই এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত স্বরূপ অবিলম্বে তার পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি।

    এদিকে, এ ঘটনা অসচেতনভাবে কিংবা অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়েছে উল্লেখ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাফিজুর রহমান। 

    রোববার  (২৫ জুলাই) দুপুরে ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, অনেকে ব্যক্তিগত ও সামষ্টিকভাবে আমার পোস্টটিতে আহত হয়েছেন। যারা আমার পোস্টটিতে আহত হয়েছেন ও কষ্ট পেয়েছেন, তার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

    তিনি আরও লেখেন, আমি প্রত্যেকটি ধর্মের ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল  এবং মনে করি যে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা উচিত নয়। তবুও অসচেতনভাবে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি আমার পোস্টের মাধ্যমে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে থাকি, সেজন্যে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ