বরিশালে বিএনপি নেতা ‘অপহরণ’, আ'লীগ নেতা, সাবেক পুলিশ কমিশনার ও ডিসির বিরুদ্ধে মামলা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারের সময় বিএনপি প্রার্থীর কর্মীকে অপহরণ-নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্য মহানগর হাকিম মো. জহির উদ্দিন এ আদেশ দিয়েছেন বলে বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুর রহমান জানান।
আসামিরা হলেন- বরিশাল-৫ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনের মহাজোট প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান, উপ-কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া, বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদি হাসান মোল্লা, কনস্টেবল ফয়জুল।
বাদী যুবদল নেতা পলাশ বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার কোনো নেতাকর্মী নিয়ে প্রচারে যেতে পারেনি। তখন বিএনপির প্রার্থীর সার্বক্ষণিক কার্যক্রমে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। একদিন তারা সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণের জন্য যাচ্ছিলেন। তিন দিক থেকে তাদের স্পিডবোটে ধাওয়া করা হয়।
বিশ্বাসের হাট এলাকায় পৌঁছলে নদীর ভিতর থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ তাকে অপহরণ করে। পরে চোখ বেঁধে একটি অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে রেখে দেয়। সেখানে তার উপর নির্যাতন করা হয়। পরে বন্দর থানায় নিয়ে তাকে দুই- তিনটি মামলার আসামি করা হয়।
পলাশ অভিযোগ করেন, তারা এমন নির্যাতন করেছে যে, এখনও ব্যাথা হয়।
এইচকেআর