ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

Motobad news

দাঁতের যন্ত্রণায় ছটফট করছেন নেতানিয়াহু, নেয়া হলো হাসপাতালে

দাঁতের যন্ত্রণায় ছটফট করছেন নেতানিয়াহু, নেয়া হলো হাসপাতালে
ছবি অনলাইন
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় (২৫ মে) সোমবার সন্ধ্যায় দেশটির রাজধানী তেল আবিবের হাদাসাহ আইন কেরেম মেডিকেলে নেওয়া হয় তাকে। হিব্রু গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই বিবৃতি জারি করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, মূলত দাঁতের চিকিৎসার জন্য নেতানিয়াহুকে ওই হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। (২৬ মে) মঙ্গলবার  টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ৭৬ বছর বয়সি এই প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য সাম্প্রতিক সময়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

কারণ, কয়েকটি ঘটনার মাধ্যমে তার স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য জনসাধারণের কাছ থেকে গোপন রাখায় সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর স্বাস্থ্য বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। আর এ নিয়ে তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন। এরই মধ্যে ইসরায়েলের অনেকের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।

গত মাসে নেতানিয়াহু সামাজিক মাধ্যমে এক দীর্ঘ পোস্টে জানান, তিনি সম্প্রতি হাদাসাহ মেডিকেল সেন্টারে প্রোস্টেটের ম্যালিগন্যান্ট (ক্যানসারজনিত) টিউমারের জন্য সফলভাবে অস্ত্রোপচার করেছেন। ইরান যুদ্ধে যেন এটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রচার কাজে ব্যবহার করতে না পারে, সেই কারণে তিনি বিষয়টি জনসমক্ষে আনেননি বলে দাবি করেন। তবে কবে রোগ নির্ণয় হয়েছিল, কবে চিকিৎসা শুরু করেছিলেন বা কবে শেষ হয়েছে এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু জানাননি।

নেতানিয়াহুর ঘোষণার সাথে তার বার্ষিক স্বাস্থ্য প্রতিবেদন এবং ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসা সম্পর্কিত একটি অতিরিক্ত নথি প্রকাশ করা হয়। তবে সেই প্রতিবেদনে অর্ধেক পৃষ্ঠাজুড়ে মাত্র পাঁচটি অস্পষ্ট বিষয় ছিল এবং এটি কোন বছরের প্রতিবেদন সেটিও উল্লেখ করা হয়নি। এ ছাড়া কোনো নথিতেই হাসপাতালের লোগো বা আনুষ্ঠানিক চিকিৎসা বিবৃতির ইঙ্গিত ছিল না। এর আগে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে নেতানিয়াহুর শরীরে একটি পেসমেকার বসানো হয়েছিল। এ ছাড়া ২০২৪ সালের মার্চে তার হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রোস্টেট অপসারণের অস্ত্রোপচার হয়।

নেতানিয়াহুর পেসমেকার বসানোর সময় প্রথমদিকে জানানো হয়েছিল, তিনি পানিশূন্যতা পর্যবেক্ষণের জন্য রামাত গানের সেবা মেডিকেল সেন্টারে এক রাত অবস্থান করেছিলেন বলে জানিয়েছিল তার কার্যালয় ও হাসপাতাল।  যখন হাসপাতাল জানায়, বাস্তবে তার শরীরে একটি সাবকিউটেনিয়াস হার্ট মনিটর বসানো হয়েছিল, তখন প্রধানমন্ত্রীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

চিকিৎসকরা একসপ্তাহ পরে স্বীকার করেন, তিনি হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় করা একটি ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি) পরীক্ষায় তারা কিছু অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেছিলেন। তবুও তারা জনসাধারণকে আশ্বস্ত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হৃদযন্ত্র ‘সম্পূর্ণ স্বাভাবিক’ ছিল।
 


গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন