ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক গবেষণাগার'র উদ্বোধন  কার্যক্রম নেই, তবু বেতন পাচ্ছেন দারুল আরকামের শিক্ষকরা পরকীয়ার জেরে মহুরি স্বামীকে শীল দিয়ে হত্যা, স্ত্রী গ্রেপ্তার নারীদের স্বাবলম্বী করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: রহমাতুল্লাহ পুলিশ হেফাজতে এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী শেরে বাংলা দিবা-নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা  শিকারপুরে ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা ‍ভাণ্ডারিয়ায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে নির্যাতনের অভিযোগ বরিশাল প্রেসক্লাব কল্যাণ তহবিলে বিসিসি প্রশাসকের লাখ টাকা অনুদান বেগম জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন
  • দ্বিতীয় স্ত্রী নাকি চাকরির সুপারিশ, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন ছুড়লেন ডাকসু নেত্রী

    দ্বিতীয় স্ত্রী নাকি চাকরির সুপারিশ, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন ছুড়লেন ডাকসু নেত্রী
    স্ত্রী দাবি করা নারীসহ গাজী নজরুল ইসলাম ও উম্মে সালমা। ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিতর্কে এবার প্রশ্ন ছুড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ক্যাফেটেরিয়া ও রিডিং রুম সম্পাদক উম্মে সালমা।

    মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ফেসবুকে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

    ফেসবুকে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে উম্মে সালমা এমনভাবে প্রশ্ন সাজিয়েছেন যে, পাঠকদের অনেকেই সেটিকে ‘ওপেন বুক পরীক্ষা’ বলেও মন্তব্য করছেন।

    পোস্টজুড়ে তিনি ভিডিওর সত্যতা নিয়ে রায় না দিয়ে বরং একের পর এক জবাবদিহির প্রশ্ন তুলেছেন।

    উম্মে সালমার প্রথম প্রশ্ন, যদি ভাইরাল ভিডিওতে থাকা তরুণী সত্যিই এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী হন, তবে বিয়ের পরপরই তার চাকরির জন্য সুপারিশের প্রয়োজন পড়ল কেন? আর যদি চাকরির প্রতিশ্রুতি সম্পর্ক তৈরির অংশ হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এরপর তিনি তরুণীর বয়স নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার ভাষায়, যদি ওই তরুণী সদ্য এসএসসি পরীক্ষার্থী হন, তাহলে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক কি না, তা সরকারি নথির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া উচিত। অন্যথায় বিষয়টি শুধু সামাজিক বিতর্ক নয়, আইনি প্রশ্নও তৈরি করতে পারে।

    রাজনৈতিক দিক থেকেও জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডাকসু নেত্রী। তার দাবি, অন্যান্য রাজনৈতিক দলে গুরুতর অভিযোগ উঠলে অন্তত সাংগঠনিক তদন্ত বা সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়ার নজির রয়েছে। কিন্তু এখানে দল যদি শুরু থেকেই নেতার পক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলে দলের নৈতিক অবস্থানও প্রশ্নের মুখে পড়বে।

    পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির কোনো নেতার ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হলে তা নিয়ে তুলনামূলক কম আলোচনা হয়, কারণ বিএনপি নিজেদের রাজনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে ধর্মীয় নৈতিকতার দাবি করে না। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী নৈতিকতা ও চরিত্রকে রাজনৈতিক পরিচয়ের অংশ হিসেবে তুলে ধরেছে। ফলে তাদের নেতাদের ক্ষেত্রে জনসাধারণের প্রত্যাশাও বেশি থাকে বলে মত দেন তিনি।

    ধর্মীয় প্রসঙ্গ টেনে উম্মে সালমা জানান, ইসলামে বিবাহ প্রকাশ্যে করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গোপন বিয়ে বা সম্পর্ককে কেন্দ্র করে যাতে বিভ্রান্তি না ছড়ায়, সে বিষয়েও তিনি স্বচ্ছতার আহ্বান জানান।

    নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি জানান, কাউকে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দোষী বা নির্দোষ ঘোষণা করতে চান না। তবে ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের জবাবদিহির মান সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি হওয়া উচিত।

    তার মতে, ব্যক্তিগত জীবন ও ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্নমুক্ত না হলে সমাজকে নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়ার নৈতিক ভিত্তিও দুর্বল হয়ে যায়।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ