বরিশালে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত

বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে বরিশালে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, বরিশালের পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নদীকেন্দ্রিক পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। নদীতে বোট রাইড, পর্যটন স্পট ঘুরে দেখার জন্য সাশ্রয়ী প্যাকেজ এবং উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা এসবের মধ্যে অন্যতম। এখানে পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মতো অনেক স্থান থাকলেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও বিনোদন সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। তাই পাঁচ তারকা মানের হোটেলসহ বিভিন্ন মানের আবাসন স্থাপনা নির্মাণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সাতলা বিলসহ যেসব স্থানে ইতোমধ্যে পর্যটনকেন্দ্রিক কার্যক্রম গড়ে উঠছে, সেগুলোর পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পর্যটন এলাকায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, যাতায়াতের সুবিধা, আবাসন ব্যবস্থা ও বিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। এসময় তিনি বরিশাল স্টেডিয়ামের আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের পাশে সুইমিং পুলসহ বিভিন্ন বিনোদন সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান।
ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, বরিশালের পুরোনো কালেক্টর ভবন, জেলা পুলিশ ভবন, জেলা স্কুল, বিএম কলেজ ও সার্কিট হাউসসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারে। এসব স্থাপনার ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সংরক্ষণ ও যথাযথভাবে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জেলার নদী-খাল ও অন্যান্য দর্শনীয় স্থানকে পর্যটন পরিকল্পনার আওতায় এনে এ খাতকে আরও বৈচিত্র্যময় করতে হবে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ওবায়দুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাসুম বিল্লাহ, জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ট্রেনিং অফিসার ডা. সুশান্ত দাশসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ট্যুরিস্ট পুলিশ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এইচকেআর