হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে কর্মশালা

হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টিকাদান কর্মসূচি সম্পর্কে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বরিশালের আয়োজনে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে বিভাগীয় কার্যালয়ের মিলনায়তনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার।
হাম-রুবেলার মতো সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, হাম প্রতিরোধে সময়মতো টিকা গ্রহণ এবং সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। মসজিদে খুতবা, জুমার নামাজের আগে-পরে আলোচনা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে টিকাদানের উপকারিতা ও রোগ প্রতিরোধের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ইমামরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।
তিনি বলেন, শিশুদের হাম-রুবেলা থেকে সুরক্ষিত রাখতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এবং সরকারি টিকাদান কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগ প্রতিরোধেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
শিশুদের টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান অতিথি বলেন, জন্মের পর শিশুরা বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। তাই জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শিশুদের প্রয়োজনীয় টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের জন্য নির্ধারিত টিকাও চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রচলিত নির্দেশিকা অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত। এতে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে।
কর্মশালায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন অডিট সেল রাশিদা আক্তার ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. এজাজ হোসেন। এসময় মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জেমসহ গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এইচকেআর