এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ২ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা

এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের এক বছর অপেক্ষা না করিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পূরক পরীক্ষার সুযোগ করে দিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের দুই মাসের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে। এ সময়ের মধ্যে যে কোনো একদিন ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এরপর দুই মাসের মধ্যে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।
ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, এ নিয়ে আমরা বোর্ডে বৈঠক করেছি। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকেও আমাদের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছি। এইচএসসির ফল প্রকাশের পর ফেল করা ছাত্র-ছাত্রীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নিতে প্রস্তুতি রয়েছে আমাদের।
তবে গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীরা এ বছর পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে না। তাদের আগের নিয়মে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে পরীক্ষায় বসতে হবে।
এ প্রসঙ্গে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, সম্পূরক পরীক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি কেমন হবে, তা নিয়ে নীতিমালা তৈরির কাজ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা এসেছে। তাদের প্রশ্ন কেমন হবে, কখন পরীক্ষা নেওয়া হবে, তারা কীভাবে একাদশে ভর্তি হবে, তাদের পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ কীভাবে সমন্বয় করা হবে, এসব বিষয় সমাধানের জন্য নীতিমালা প্রয়োজন। এ নীতিমালা প্রস্তুত করে চলতি বছরের এসএসসিতে ফেল করা পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্যই শিক্ষা বোর্ড চাইছে, আগামী বছর থেকে এ সম্পূরক পরীক্ষা চালু করতে।
এইচকেআর