ঢাকা শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে খালখনন কার্যক্রম পরিদশন করলেন বিসিসির প্রশাসক শিরীন বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার  বাউফলে বাসচালককে মারধরের ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার শেবাচিম হাসপাতালে হাম আক্রান্ত আরও দুই শিশুর মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি মামুন খালেদ ৩ দিনের রিমান্ডে আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাবেক দুই পুলিশের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন গৌরনদীতে ব্রিজের রেলিং ভেঙে ট্রাক খাদে, চালক-হেলপার আহত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রবিউল, সম্পাদক মাসুদ বরিশাল নগরে স্কুলছাত্রী নিহতের ঘটনায় প্রতিবাদ, সড়ক অবরোধ
  • স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

    স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মেহেরপুর সদর উপজেলার বলিয়ারপুর গ্রামের আলম হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমের স্ত্রী সাফিয়া খাতুনসহ ৪ ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় দেন।

    সাজাপ্রাপ্ত অন্যরা হলো- খোকন, মুকুল ও আসাদুল। আদালত প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে। 

    সাজাপ্রাপ্ত আলমের স্ত্রী সাফিয়া খাতুন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হিজলবাড়িয়া গ্রামের আছান আলীর মেয়ে, খোকন চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের আসির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে, মুকুল চুয়াডাঙ্গার শংকর চন্দ্রপুর গ্রামের টেঙ্গর ওরফে হোসেন আলীর ছেলে এবং আসাদুল চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

    মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই মেহেরপুর সদর উপজেলার বলিয়ারপুর গ্রামের একটি পাটক্ষেত সংলগ্ন রাস্তার ওপর অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই সময় মৃত ব্যক্তির দুই হাত কাঁচা পাট দিয়ে বাঁধা এবং গলায়, ঘাড়ে ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে তার পরিচয় পাওয়া যায় তিনি বলিয়ারপুর গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে। 

    ওই ঘটনায় মেহেরপুর সদর থানার তৎকালীন এসআই শওকত আলী বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং ২৪) মামলায় ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করা হয়।

    পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন বাড়াদী ক্যাম্প ইনচার্জ আব্দুস সালাম মিয়া প্রাথমিক তদন্ত শেষে ২০০৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১৫ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর আসামিদের মেহেরপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। 


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ