ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • আজ রাতের ভিতর বরিশালসহ ১৭ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতির পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বরিশালে জনসাধারণের চলাচলের পথ দখল, ৩ ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড  কুয়াকাটায় পর্যটকের ভাটা, বিপাকে পর্যটন খাত  ভোলায় টানা বৃষ্টিপাতে পানিবন্দি ২৫ হাজার মানুষ  বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত তথ্যমন্ত্রীর সাথে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে যৌথ মিডিয়া ফোরাম গঠনের প্রস্তাব কাজ হারাতে পারেন অসংখ্য শ্রমিক, ভয়াবহ গ্যাস সংকটের মুখে দেশ আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ফিফা পলাতক তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত
  • মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল বাতিল নিয়ে হাইকোর্টের রুল

    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল বাতিল নিয়ে হাইকোর্টের রুল
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার (এমবিবিএস) প্রকাশিত ফলাফল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

    আজ রোববার (২৯ আগস্ট) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।


    রুলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র আদালতে দাখিল করার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। আগামী ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পরিচালক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার।

    এর আগে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ত্রুটিপূর্ণ ফলাফল কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা এবং ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এবং উত্তরপত্র আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে ১৯৫ জন এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার্থীর পক্ষে রিট দায়ের করা হয়।

    রিটে বলা হয়, ৪ এপ্রিল প্রকাশিত ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে অসংখ্য ভুল এবং বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্ততর কর্তৃক গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রচারিত ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী একজন পরীক্ষার্থী কোনো মেডিকেল কলেজে ভর্তি থাকা অবস্থায় তিনি যদি দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন তবে তার মোট প্রাপ্ত নম্বর থেকে ৭.৫ নম্বর কর্তন করা হবে। আবার কোনো পরীক্ষার্থী যদি গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে থাকেন তাহলে তার ৫ নম্বর কাটা যাবে। কিন্তু প্রকাশিত ফলাফল থেকে দেখা যায়, অনেক পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে এ নিয়ম পালন করা হয়নি। যেসব পরীক্ষার্থীদের ৭.৫ নম্বর কর্তন করার কথা সেখানে মাত্র ৫ নম্বর কর্তন করা হয়েছে। ফলে ওইসব ভর্তি পরীক্ষার্থীদের ২.৫ নম্বর বেশি দিয়ে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। আবার প্রথমবার পরীক্ষায় যেখানে কোনো নম্বর কাটার কথা নয় সেখানে অনেক পরীক্ষার্থীর ৫ নম্বর কর্তন করে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ