ঢাকা শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ঝালকাঠিতে ১২০ গাছ কাটার পর স্থগিত ২ হাজার গাছ কাটার প্রকল্প দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ ইরানের হামলায় ইসরায়েলে নিহত ১২, আহত প্রায় ৩ হাজার
  • আমতলীতে ব্রিজ যেন মরণফাঁদ

    আমতলীতে ব্রিজ যেন মরণফাঁদ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনার আমতলী উপজেলায়লোদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের ব্রিজ এখন মরণ ফাঁদ। চরম ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছেন যানবাহনও পথচারী শিক্ষার্থীরা। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

     সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজটির মাঝখানে বড় দুটি গর্ত থাকায় যান চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে ও দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। উপজেলার  চাড়ওড়া ইউনিয়নের লোদা গ্রামে  ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে এলজিইডি’র আওতায় হালকা যান চলাচল প্রকল্পের অধীনে ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পটি ২০০৫ সাল পর্যন্ত  কার্যকর ছিল। এরপর প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি না করায় সেতুটির রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামতে আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ইতোমধ্যে সেতুটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। সেতুটির সিমেন্টের স্লিপার , হাতল ও অবকাঠামো ভেঙে পড়েছে।  

    উপজেলার চাওড়া ইউপির ৫ নং ওয়ার্ডের  লোদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সলগ্ন লোদা খালের  খালের উপর নির্মিত আয়রন ব্রীজের  স্লিপার ভেঙ্গে  গেছে। এর ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।  ঐ ব্রিজ পার হয়ে  লোদা গ্রাম থেকে  কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রীরা  স্কুলে যায় । ব্রীজটির  মাঝখানে  এবং দক্ষিন পাশে পাশের উঠার স্থানের  সিøপার ভেঙ্গে  খালের মধ্যে পড়ে   যাওয়ায় যে কোনো   স্কুলে যাওয়া ও আসার সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়ে গিয়ে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে ।  বর্তমানে মেরামতের অভাবে সেতুটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

    সেতুটি রক্ষণাবেক্ষণের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় লোহার অ্যাঙ্গেল, হাতল ও খুঁটি মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।ব্রীজটি পার হয়ে লোদা গ্রামের দুই পারের কয়েক শত  মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে আমতলী শহরে আসে। সতুটির স্লিপার  ভেঙে পড়ায়  লোদা . চলাভাঙ্গা,কাউনিয়া  গ্রামের ১০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।এছাড়া লোদাসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের  চলাচলে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। 

    স্কুলের শিক্ষক শাহজাহান মিয়া  বলেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ব্রিজের মাঝখানে বড় আকারের দুটি গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে ব্রিজটি আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন বরে এমন অবস্থা বিরাজ করলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। ফলে এলাকাবাসী ও পথচারীদের দুর্ভোগ আরো বাড়ছে। 

    এলজিইডি আমতলী উপজেলা কার্যালয়ের প্রকৌশলী মো.আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গার্ডার ব্রিজ  নির্মাণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে  প্রস্তাব  পাঠানো হয়েছে।


    এইচেকআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ