ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাবুগঞ্জে সেনাদের গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় যুদ্ধক্ষেত্রের খাবার খেলেন প্রধানমন্ত্রী নিজেরা যদি পরিবেশের দিকে খেয়াল না রাখি, তাহলে ভুক্তভোগী আমরাই হবো: প্রধানমন্ত্রী ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম সেনাবাহিনী বারবার দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ব্যাংককে বারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৭ পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, সংবর্ধনা জানাতে বরিশালে ৪০ কি.মি. মানবপ্রাচীর আগামী জুনের মধ্যে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে বরিশালে স্বাগত প্রধানমন্ত্রী, বাজেটে বঞ্চিত দক্ষিণাঞ্চলবাসীর যত দাবি সড়কপথে বরিশালে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক মনিরুজ্জামানের পদায়নের আদেশ বাতিল
  • দাম বেড়েছে ডাল-আটা-মুরগির

    দাম বেড়েছে ডাল-আটা-মুরগির
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ডাল, আটা ও মুরগির। আগের দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।অপরদিকে, অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম।  

    শুক্রবার (০৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

    বাজারে বেশিরভাগ সবজি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে প্রতিকেজি (গোল) বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০-৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ইন্ডিয়ান টমেটো ১০০ টাকা, সিম ১২০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, লতি ৮০ টাকা ও কাকরোল ৮০ থেকেন ৬০ টাকা।

    এসব বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহের দামে পেঁয়াজ। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা দরে প্রতি কেজি। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকায়।

    এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০-২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০-১৩০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডালের দাম ৫ টাকা বেড়ে কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮৫-৯০ টাকায়।

    ১১ নম্বর বাজারের তেল বিক্রেতা নাহিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে ভোজ্যতেল আগের কেনা দামে বিক্রি করছি। আমরা এখনো লিটার বিক্রি করছি ১৫০ টাকা। দুই-একদিনের মধ্যেই ভোজ্যতেলের দাম লিটার প্রতি ৭ বড়ার সম্ভাবনা আছে। নতুন তেল বাজারে ঢুকলে বাড়তি দামে বিক্রি হতে শুরু হবে।

    এসব বাজারে কেজিপ্রতি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। বাজারে বেড়েছে আটার দাম। প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়। কেজিতে আটার দাম বেড়েছে ৩-৫ টাকা।  

    বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৮-১০ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। সোনালী (কক) মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা।

    মুরগির দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ৫-১০ টাকা। বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৪৫ টাকা। প্রতি কেজি সোনালি (কক) মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৩০-২৪০ টাকায়। লেয়ার মুরগি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ টাকা। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০-২৩৫ টাকা।  

    ১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. রুবেল বলেন, বাজারে মুরগির চাহিদা কম। ক্রেতারা মুরগি কম কিনছেন। তবুও বেড়েছে মুরগির দাম। খামারিদের সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে মুরগির দাম।


     


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ