ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম

ব্যাংককে বারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৭

ব্যাংককে বারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৭
রোববার (১২ জুলাই) রাত ১১টার দিকে ‘রং বিয়ার না লাত ফ্রাও’ নামক বারে ভয়াবগ অগ্নিকাণ্ড ঘটে/ ছবি: এএফপি
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। এ ঘটনায় আহত হয়ে আরও ৬০ জনেরও বেশি মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, রোববার (১২ জুলাই) রাত ১১টার দিকে ‘রং বিয়ার না লাত ফ্রাও’ নামক বারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানতে পেরে খুব দ্রুতই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তাদের প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর তোলা ছবিতে বারের বাইরে সারিবদ্ধভাবে রাখা মরদেহের ব্যাগ দেখা যায়। পুরো এলাকা নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। বারটির ভেতরের আসবাবপত্র, দেয়াল ও ছাদ আগুনে সম্পূর্ণ কালো হয়ে গেছে। ছাদের কিছু অংশও খসে পড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বারটির ভেতর থেকে দাউদাউ করে আগুন বের হচ্ছে। আতঙ্কিত মানুষ দৌড়ে বেরিয়ে আসছেন। কেউ চিৎকার করছেন, কেউ হোঁচট খেয়ে পড়ে যাচ্ছেন। সেসময় অন্তত দুজনকে আগুনে পুড়তে দেখা যায়।

রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চানভিরাকুল। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এখনো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে তদন্ত শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী চানভিরাকুল জানান, আগুন লাগার সময় বারে গান পরিবেশন করছিলেন এমন এক সংগীতশিল্পীর সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক কাট-আউট সুইচে প্রথমে আগুন লাগে। এরপর খুব দ্রুত পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। বিস্ফোরণের মতো শব্দ হয় এবং ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে সবাই ছুটতে শুরু করেন।

ওই সংগীতশিল্পী আরও জানান, অনেকেই বের হতে না পেরে ভবনের পেছনের দিকে চলে যান এবং ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে টয়লেটে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। সেখান থেকেই বেশিরভাগ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্যাংককের গভর্নর চাচার্ত সিত্তিপুন্ট বলেন, বারটির ভেতরে দাহ্য উপকরণ দিয়ে সাজসজ্জা করায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে এমন তথ্য পাওয়া গেছে যে, মিষ্টি ও অন্যান্য পণ্য বিক্রির জন্য বসানো কিছু টেবিল জরুরি নির্গমনপথ আটকে রেখেছিল। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ও আনুষ্ঠানিক তদন্ত করা হবে।

সূত্র: বিবিসি


এইচকেআর
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ