কাঠালিয়ায় গৃহবধূকে বেধড়ক মারধর

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার জোরখালী গ্রামের ইমরানা আক্তার মাসুদাকে স্বামী জামাল হোসাইন বেধড়ক মারপিট করে ঘরে তালা বদ্ধ করে রাখার ৩দিন পরে মা-বাবা সহ পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আজ মঙ্গলবার মাসুদাকে আমুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তার জানিয়েছেন তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের বহু চিহ্ন রয়েছে।
ইমরানা আক্তার মাসুদা ও স্বজনরা জানান, মাসুদার স্বামী জামাল হোসাইন গত শনিবার স্ত্রী মাসুদাকে যৌতুকের দাবিতে বেধড়ক মারপিট করেন। পরে ঘরের একটি কক্ষে তালা বদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে সোমবার রাতে মাসুদার পিতা ইউসুফ আলী খান, মাতা রাশেদা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে কাঠালিয়া (আমুয়া) হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের ১৩ নম্বর বেডে ডাক্তার মোঃ মিজানুর রহমানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কাঠালিয়া (আমুয়া) হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান জানান, রোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা তাকে সুস্থ করার জন্য চিকিৎসা দিচ্ছি। আইনগত ব্যবস্থা পুলিশ নিবে, এটা আমাদের এখতিয়ার নয়।
উল্লেখ্য, ১৩ বছর পূর্বে কাঠালিয়া উপজেলার জোড়খালী গ্রামের ইউসুফ আলী খানের মেয়ে ইমরানা আক্তার মাসুদার সাথে পার্শ্ববর্তী বামনা উপজেলার খোলপটুয়া গ্রামের জামাল হোসাইনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে।
স্বামী জামাল বাপের বাড়ীতে থেকে টাকা আনার জন্য মাসুদাকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করেন। এর ধারাবাহিকতায় গত শনিবার তাকে গুরুতর শারীরিক নির্যাতন করে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন।
অভিযুক্ত জামাল হোসাইন জানান, এটা আমার বিরুদ্ধে একটি চক্রান্ত এবং মিথ্যা অপবাদ। আমার স্ত্রীর পরিবারে অন্যান্য বোন এবং ভাইদের নিয়ে এ রকম ঘটনা অনেক আছে। আপনারা ইচ্ছা করলে বামনা ও বরগুনার সাংবাদিকদের কাছে খোঁজ নিতে পারেন।
এমবি