ঢাকা রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেফতার সরকারি হাসপাতালে দালালদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: র‍্যাব মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মন্তব্য, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নামে মামলা গরুর জাত ও ধরন অনুযায়ী মাংসের দাম নির্ধারণে আইনি নোটিশ বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলেন যুদ্ধে যাই’ জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের রাডার গুঁড়িয়ে দিলো ইরান ১৮ মাসের কাজ গড়িয়েছে ৪৮ মাসে, তবুও শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলে একদিনে ১৪০ জন আহত, ছয় দিনে নিহত ১০ জন বরিশালে‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক
  • ঢাকায় ময়লার গাড়ির চাপায় নিহত সংবাদকর্মীর গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম

    ঢাকায় ময়লার গাড়ির চাপায় নিহত সংবাদকর্মীর গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম
    ঝালকাঠি সদর উপজেলার দেউলকাঠি বাজারে রাতে নিহত আহসান কবির খানের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ময়লার গাড়ির চাপায় নিহত সংবাদকর্মী আহসান কবির খানের ঝালকাঠি সদর উপজেলার শিরজুগ গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকে বাড়িতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁর বাবা মা ও আত্নীয় স্বজনরা। দুর্ঘটনায় ছেলের এমন মৃত্যু কিছুতেই মানতে পারছেন না তাঁরা। মা আমেনা বেগম ও বোন তামান্না আক্তারের আহাজারিতে বাতাস ভাড়ি হয়ে যায়। তাদের কান্না দেখে চোখে পানি ধরে রাখতে পারেনি প্রতিবেশীরাও। নির্বাক বৃদ্ধ বাবা কিছুক্ষণ পরপরই জানতে চাইছেন লাশবাহী গাড়ি কতদূর, আর বুক চাপড়ে আর্তনাদ করছেন।

    এদিকে ঢাকা থেকে শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে ঝালকাঠির উদ্দেশ্য মৃতদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে রওয়া দেন নিহতের স্ত্রী, সন্তানসহ পরিবারের লোকজন। লাশবাহী গাড়ি রাত ৮টায় গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এর পর জানাজা অনুষ্ঠিত হয় কবিরের শশুর বাড়ি ঝালকাঠি সদর উপজেলার দেউলকাঠি বাজারে। সেখান থেকে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় শিরজুগ গ্রামের বাড়িতে। বাবা, মা, বোন ও পরিবারের লোকজন ওই বাড়িতে রয়েছেন। বাড়ির আঙিনায় জানাজা শেষে তাঁর মৃতদেহ পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয় বলে জানিয়েছেন নিহতের চাচাতো ভাই সংবাদকর্মী জহির ইলিয়াস খান। জানাজায় নিহতের পরিবার, সংবাদকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

    তিনি বলেন, বাবা মায়ের আদরের সন্তান ছিলেন কবির ভাই। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। তাঁর আচার আচরণ ছিল অত্যন্ত শোভনীয়। মানুষের সঙ্গে অল্পতেই সুসম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরিবারের ছোট বড় সবাইকে ভালোবাসতেন, আগলে রাখতেন। তাঁর মৃতদেহ নিয়ে আমরা রাতেই বাড়ি আসবো। গ্রামের বাড়িতে দুটি জানাজা শেষে তাঁর মৃতদেহ দাফন করা হবে।

    কবিরের বাবা আবদুল মান্নান খান বলেন, সিটি করপোরেশনের গাড়ি সাবধানে চালানো উচিত ছিল। একদিন আগে বুয়েটের ছাত্র মারা গেল, এর পরেও তাদের শিক্ষা হয়নি। আমার বড় ছেলেটাকেও ওরা মেরে ফেললো। আমি ওই চালকের বিচার দাবি করছি।

    নিহতের ছোট বোন তামান্না আক্তার বলেন, আমার ভাইয়ের মতো সড়ক দুর্ঘটনায় আর যেন একটি মৃত্যুও না হয়। এ ধরণের মৃত্যু একটি পরিবারকে শেষ করে দেয়। আমরা গাড়ি চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ