ঢাকা বুধবার, ২০ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ১০ লাখ কর্মসংস্থান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অঙ্গীকার             আগামী ৫ জুন শেবাচিম হাসপাতালে চালু হচ্ছে হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট মঠবাড়িয়ার টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার শিশু মৃত্যুর অভিযোগ শেবাচিম হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু নিয়ে স্বজন-ইন্টার্ন চিকিৎসকদের তুলকালাম হাম উপসর্গে বরিশালে ২ শিশুর মৃত্যু আমরা খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প আওয়ামী লীগ ব্যাক করেনি, তারা ছিলই: আসিফ নজরুল পাকিস্তানকে ফের হোয়াইটওয়াশ, রোমাঞ্চকর জয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আইন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেলেন আইনজীবী পান্না ও আমিন  ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে গিয়ে অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী
  • ঝালকাঠিতে চিকিৎসক ও ব্রাদারের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

    ঝালকাঠিতে চিকিৎসক ও ব্রাদারের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসক ও ব্রাদারের বিরুদ্ধে চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন মৃত রোগীর স্বজনরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শহরের পশ্চিম ঝালকাঠি এলাকার বাসিন্দা ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফরিদ হোসেন। 

    লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ ডিসেম্বর রাতে তাঁর বড়ভাই কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন শহরের বড় বাজারে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকজন তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তমাল হালদার ও ব্রাদার সমর চক্রবর্তী ফারুক হোসেনের প্রেসার মেপে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন বলে জানায়। ওই চিকিৎসক ও ব্রাদার তাকে কোন চিকিৎসা না দিয়ে অনেকক্ষণ হাসপাতালে বসিয়ে রাখেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়ার অনুরোধ করা হলে ডাক্তার ও ব্রাদার তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। ফারুককে চিকিৎসার জন্য বরিশালে রেফার করেন ওই চিকিৎসক। বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরে তাঁর মৃত্যু হয়। 

    সংবাদ সম্মেলনে মৃতের পরিবার অভিযোগ করেন, ফারুক হোসেনকে দ্রæত ঝালকাঠি হাসপাতালে নিয়ে আসলেও কর্তব্যরত চিকিৎসক ও ব্রাদার চিকিৎসায় কোন গুরুত্ব দেয়নি। এমনকি প্রাথমিক চিকিৎসাও তাঁরা করেনি। উল্টো তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসা অবহেলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তাই ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের ওই চিকিৎসক ও ব্রাদারের বিচার দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মৃত ফারুক হোসেনের বাবা মো. লাল মিয়া, বড় বোন জ্যোসনা বেগম, ভগ্নিপতি নূর ইসলাম, শ্বশুর আবু বিশ্বাস, ফারুকের মেয়ে জুই ও জুথি।

    মৃতের ভাই জ্যোসনা বেগম বলেন, আমার ভাই ফারুক হোসেনের স্ত্রী চার বছর আগে দুটি কণ্যা সন্তান রেখে মারা যান। মেয়েদের দেখাশুনা করতেন ওদের বাবা। চিকিৎসকের অবহেলায় ওদের বাবারও মৃত্যু হয়েছে। এখন মেয়ে দুটি এতিম হয়ে গেলো। এ মৃত্যুর জন্য দায়ি সদর হাসপাতালের চিকিৎসক তমাল হালদার ও ব্রাদার সমর চক্রবর্তী। আমি তাদের শাস্ত্রি দাবি করছি। 

    এ ব্যাপারে ডা. তমাল হালদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এ ব্যাপারে তিনি কর্তৃপক্ষ ছাড়া কাউকে বক্তব্য না দেওয়ার কথা বলেন।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ