'দ্রুত গতিতে নোঙ্গর করলে এতো মানুষ মরতো না'

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় শতাধিকের বেশি যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসক জহরুল আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার শফিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, লঞ্চের আগুন ভোর ৫টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
সেখানকার যাত্রীরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, লঞ্চটিতে আগুন লাগার পরে দ্রুত গতিতে সুগন্ধা নদীর পাড়ে ভিড়ানো হয়নি। তাহলে হয়তো এতো ক্ষয়ক্ষতি হতো না। অনেক যাত্রী প্রাণে বেঁচে যেতাে।
লঞ্চের যাত্রী সোলাইমান আকন বলেন, হঠাৎ বিকট শব্দে লঞ্চে আগুন ধরে যায়। লঞ্চের পেছনের অংশ থেকে তৃতীয় তলার সামনে পর্যন্ত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
কেবিন বয় ইয়াসিন বলেন, ওপরে থাকা বেশিরভাগ যাত্রী নদীতে লাফ দিয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের ঢাকা থেকে বরগুনাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ অভিযান-১০ বরগুনা যাওয়ার পথে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বিষখালী নদীর চরে আটকে পড়া। এতে লঞ্চে থাকা ৪৩৪ জন যাত্রী পড়ে চরম দুর্ভোগে।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাত প্রায় সোয়া ৩টার দিকে, ঢাকা-বরগুনা রুটের যাত্রী নিয়ে বরগুনা যাওয়ার পথে একই দিকে যাওয়া শাহারুখ-২ নামের আরেকটি লঞ্চকে ওভারটেক করতে গিয়ে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়ন চরপালট গুচ্ছগ্রাম সংলগ্নে ডুবোচরে উঠে যায় লঞ্চটি। এ ঘটনার ৩১ ঘণ্টা পার হলেও লঞ্চটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন নিজ খরচেই তাদের গন্তব্যে যেতে হয়।
এমবি