ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বঙ্গোপসাগরে ৫ দিন ধরে সাগরে ভাসছেন ১৮ জেলে বরিশালে মিছিল নিয়ে এসে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে হাতবোমা বিস্ফোরণ কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীতে রাতে কোটি কোটি টাকার অবৈধ বালু ব্যবসা, প্রশাসন নীরব পটুয়াখালী-ঢাকা রুটে ৫০ টাকা বাড়তি বাসভাড়া নেওয়ার অভিযোগ ভোলায় হাসপাতালে তীব্র সংকটে ওষুধ-সরঞ্জাম, শিশু ওয়ার্ডে পাঁচ গুণ রোগী ধেয়ে আসছে ‘ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’, কখন কোথায় আঘাত হানবে? জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের কর্মমুখী ও নৈতিক শিক্ষায় নিজেদের গড়ে তুলতে হবে: সরোয়ার জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • যেভাবে আগুন লাগে সেই লঞ্চে, জানাল কেবিন বয়

    যেভাবে আগুন লাগে সেই লঞ্চে, জানাল কেবিন বয়
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭২ জন। তাদের বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রায় ৪০০ যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায়। চাঁদপুর ও বরিশাল টার্মিনালে লঞ্চটি থামে এবং যাত্রী ওঠানামা করেন। ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে পৌঁছলে রাত ৩টার দিকে এতে আগুন ধরে যায়।

    প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ এখনও জানাতে পারেনি পুলিশ।

    তবে প্রত্যক্ষদর্শী লঞ্চের কেবিন বয় ইয়াসিন (১৯) গণমাধ্যমকে বলেছেন, লঞ্চের নিচতলার পেছনে ইঞ্জিনরুমের পাশেই ক্যান্টিন। সেখানে বিকট শব্দে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে লঞ্চে আগুন ধরে যায় এবং তা দ্রুত ইঞ্জিনরুমে ছড়িয়ে পড়ে।

    ‘সেখানে রাখা ১৩ ব্যারেল ডিজেল আগুন বাড়িয়ে দেয়। ইঞ্জিনরুম থেকে আগুন চলে যায় ডেকের দিকে।’

    ইয়াসিন আরও জানায়, ডেকের জানালার পর্দায় লেগে তা দোতলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে প্রথমে পারটেক্স বোর্ডের সিলিংয়ে আগুন লাগে। দোতলায় একটা চায়ের দোকান ছিল। ওই দোকানের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে আগুন আরও তীব্র হয়। এভাবে পুরো লঞ্চটি আগুনে পুড়ে যায়।

    অভিযান-১০ লঞ্চের মালিক হানজালা গণমাধ্যমকে বলেন, লঞ্চের কেরানি আনোয়ার রাত ৩টা ৫ মিনিটে তাকে ফোন করে আগুন লাগার খবর দেন।

    ‘সে বলেছে দোতলায় একটা বিস্ফোরণ হয়, সঙ্গে সঙ্গে কেবিনে আর লঞ্চের পেছনের বিভিন্ন অংশে আগুন দেখা যায়। তার পর তৃতীয় তলার কেবিন ও নিচতলায় ছড়িয়ে পড়ে আগুন।

    হানজালা বলছেন, ওই লঞ্চে অন্তত ২১টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ছিল, কিন্তু এত দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে যে, সময় পাওয়া পায়নি।
    ‘একটি পাইপ গেছে ইঞ্জিন থেকে, সেখানে প্রথম বিস্ফোরণ হয় বলে আনোয়ার আমাকে জানিয়েছে’, বলেন লঞ্চের মালিক হানজালা।

    বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বন্দর ও পরিবহন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ