ঝালকাঠিতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বরগুনাগামী লঞ্চ এমভি অভিযান এ আগুন লেগে ৩৯ জনের মৃত্য হয়েছে। দগ্ধ হয়েছে শতাধিক মানুষ। নদীতে লাফিয়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অনেকেই। তাদের সন্ধানে সুগন্ধার তীরে অপেক্ষায় আছেন স্বজনরা।
কেউ আবার ট্রলার নিয়ে নদীর বিভিন্ন প্রান্তে খুঁজে বেড়াচ্ছেন প্রিয়জনকে। কারো হাতে নিখোঁজদের ছবি। তা নিয়ে নদী তীরের বাসিন্দাদের দেখাচ্ছেন, আর বিলাপ করছেন। কেউ আবার নদী তীরের মিনিপার্ক, ডিসিপার্ক, লঞ্চঘাট এবং ঘটনাস্থল দিয়াকুল এলাকায় ঘুরছেন।
অন্তত নিখোঁজ স্বজনদের মৃতদেহ যেন বাড়ি নিয়ে যেতে পারেন, সেই অপেক্ষায় আছেন স্বজনরা। এদিকে সকাল ৮টা থেকে ঝালকাঠি ও বরিশালের ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল লঞ্চঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। নদীতে লাফিয়ে নিখোঁজদের উদ্ধারে ডুবুরি দল সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করবেন জানিয়েছেন ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম-সচিব তোফায়েল হাসানের নেতৃত্বে নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের ৭ সদস্যের তদন্ত দল সকাল সাড়ে ১০ টায় ঝালকাঠির লঞ্চঘাট এলায় এসে আগুনে পুরে যাওয়া লঞ্চটি পরিদর্শন করেন। লঞ্চের ইঞ্জিল রুমসহ বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে তদন্ত করছেন তারা । তাদের সঙ্গে ছিলেন সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী মো. শাজাহান খান ।এসময় তিনি বলেন তদন্ত করে , এবিষয়ে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। এদের রির্পোট অনুযায়ে আমরা বুঝতে পারব দুর্ঘটনার আসল কারন। যারা এর জন্য দায়ি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এইচকেআর