'লঞ্চটিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিলো না'

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে আগুনের ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে তৃতীয় দিনের মত অভিযান শুরু হয়েছে। কিন্তু এখনও নিখোঁজদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এদিকে পুড়ে যাওয়া লঞ্চটি পরিদর্শনের পর এতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিলো না বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিটিএর কর্মকর্তারা।
রোববার দুপুরে ঝালকাঠি লঞ্চঘাটে রাখা পোড়া লঞ্চ অভিযান-১০ পরিদর্শনে আসেন বরিশাল বিআইডব্লিটিএর পরিদর্শন দল।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. বাহারুল আমীন বলেন, লঞ্চটিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিলোনা। ঢাকা বরিশাল রুটের সব লঞ্চেই ওপরে বিলাসবহুল ব্যবস্থা থাকে, কিন্তু ইঞ্জিন রুমে নিরাপত্তার জন্য কিছুই থাকেনা।
নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনদের দাবি কমপক্ষে অর্ধশত মানুষ প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাপ দিয়েছেন। রোববার সকাল থেকেই দুর্ঘটনা কবলিত সুগন্ধা নদীর দিয়াকুলসহ আশপাশের ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়।
এদিকে নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহে পুলিশের পক্ষ থেকে লঞ্চঘাট এলাকায় একটি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। সেখানে স্বজনরা এসে তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন ।
সদর থানা পুলিশ এ কন্ট্রোল রুমে নিখোঁজের স্বজনদের দেয়া তথ্যে ৪৭ জনের নাম তালিকা প্রস্তুত করেছে। এছাড়া ঝালকাঠি রেডক্রিসেন্ট
সোসাইটি ৫১ নিখোঁজ ব্যাক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করেছে। লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ অব্যাহত রয়েছে।
এইচকেআর