লঞ্চে আগুন: সপ্তম দিনে দুই মৃতদেহ হস্তান্তর

ঝালকাঠির লঞ্চে আগুনের ঘটনায় সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে নিখোঁজদের সন্ধানে সপ্তম দিনের মত আজ বৃহস্পতিবার উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা স্পীডবোট ও ডুবুরি নিয়ে নদীর এক প্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে ছুটছেন।
অগ্নিকান্ডের ঘটনার পর নদী থেকে এ পর্যন্ত নিখোঁজ ৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে বুধবার উদ্ধার হওয়া দুটি মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন সিমু বেগম (২৫) ও আবদুল হক মিয়া (৩৫)। সিমুর বাড়ি বরগুনা সদরের খাজুরতলা গ্রামে এবং হক মিয়া নরসিংদীর রায়পুরের হাইমোড়া গ্রামের বাসিন্দা। মৃতদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তাস্তর করা হয়েছে। এ নিয়ে ৫ জনের মধ্যে ৪ জনের মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এক জনের পরিচয় না পাওয়ায় তার মৃতদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে সমাহিত করা হয়। পুলিশ বছলে, সমাহিত করা ওই ব্যক্তি সনাতন ধর্মের।
এদিকে নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এন্ড শিপ সার্বেয়ার এন্ড এক্সামিনার আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে ৪ দসদেস্য তদন্ত টিম দ্বিতীয় দিনের মতো পুড়ে যাওয়া লঞ্চ এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের স্বাক্ষ্যগ্রহণ করছেন। পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি অগ্নিদগ্ধ ও আহতদের সঙ্গেও কথা বলেন তদন্ত দল।
অন্যদিকে স্বজনহারা মনির হোসেনের দায়ের করা মামলার তদন্তে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ থেকে সকালে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঝালকাঠি থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম সকালে পুড়ে যাওয়া এমভি অভিযান ১০ লঞ্চে গিয়ে আলাম নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
এইচকেআর