ঢাকা সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ৫ বছরে এক কোটি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী নূর বরিশালে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শেবাচিম হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য হলেন বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু আইফোন কিনতে শিশুপুত্রকে এক লাখ টাকায় বিক্রি! বাঁশ কেনার কথা বলে ৫৫ বছর বয়সী নারীকে ধর্ষণ, আটক ১ ঝালকাঠিতে গাছের সঙ্গে মুরগীবাহী পিকআপের ধাক্কা, নিহত ১ বরিশাল নগরীর ৩০ ওয়ার্ডে নির্মিত হবে ২০টি খেলার মাঠ বরিশালে সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ, ফিরছে সুদিন  বরিশালে ২১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
  • বানারীপাড়ায় রিকশাচালককে হত্যা: বরখাস্ত বিজিবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

     বানারীপাড়ায় রিকশাচালককে হত্যা: বরখাস্ত বিজিবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বানারীপাড়ায় রিকশাচালক হত্যায় শোয়েব হাওলাদার সবুজ নামে বরখাস্ত এক বিজিবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড ও সহযোগী আলী আজিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে বিজিবি সদস্যকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাস কারাদণ্ড ও সহযোগীকে ১০ হাজার টাকা অনাদায়ে ২ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

    সোমবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে বরিশাল জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক টি এম মুসা এ রায় ঘোষণা করেন।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শোয়েব হাওলাদার সবুজ বানারীপাড়া উপজেলার মাদারকাঠি গ্রামের আদম আলী হাওলাদারের ছেলে এবং তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য হিসেবে চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত ছিলেন। হত্যা মামলায় পুলিশ তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়ার পর চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। অন্যদিকে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আলী আজিমের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর এলাকায়।

    ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট লস্কর নুরুল হক মামলার বরাত দিয়ে জানান, ২০১৫ সালের ১৫ জুন রাতে রিকশাচালক জামাল খান নিখোঁজ হন। পরদিন ১৬ জুন বাড়ির কাছের একটি খাল থেকে জামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জামালের ভাই আবুল কালাম খান বাদী হয়ে ১৭ জুন শোয়েব, তার বাবা আলী হাওলাদার, মা সেলিনা বেগম ও ভাই সোহাগ হাওলাদারকে অভিযুক্ত করে বানারীপাড়া থানায় মামলা করেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক শাহাবুদ্দিন চৌধুরী ২০১৬ সালের ১২ মার্চ শোয়েব ও তার সহযোগী আলী আজিমসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এর আগে বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তরে অবহিত করে শোয়েবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জামাল হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।

    তিনি আরো বলেন, প্রতিবেশী এক নারীর সাথে শোয়েবের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। চুয়াডাঙ্গা থেকে ছুটিতে শোয়েব বাড়িতে এসে তানিয়া আক্তারের সাথে মেলামেশা করতেন। হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে শোয়েব-তানিয়াকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলেন রিকশাচালক জামাল খান। ঘটনাটি অন্যদের বলে দিতে পারেন, এমন আশঙ্কায় জামাল খানকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ভাসিয়ে দেয়ার জন্য মরদেহ খালে ফেলে আসা হয়।

    মামলায় ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে শোয়েব হাওলাদার সবুজকে মৃত্যুদণ্ড ও তার সহযোগী আলী আজিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

     

     

     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ