ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরিশালে নয়টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ২১৫টি পদ থাকলেও শূন্য ৭৯টি, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা নানা আয়োজনে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত কলাপাড়ায় মাছের ঘের থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার উজিরপুরে দুর্নীতির অভিযোগে ভূমি অফিসের দুই কর্মচারী প্রত্যাহার, গাড়িচালককে অব্যাহতি বরিশালে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি ঝালকাঠিতে ফুটপাতে অবৈধ দখল, অটোরিকশা স্ট্যান্ড ও যত্রতত্র পার্কিং অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন সাগরে গভীর নিম্নচাপ, সোমবার তৈরি হতে পারে ঘূর্ণিঝড় উদ্বোধনী ম্যাচের মতো ডি থ্রি টি-টোয়েন্টির ফাইনালও বরিশালে
  • ৫শ’ সিসি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণে ঢামেক

    ৫শ’ সিসি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণে ঢামেক
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    চোর শনাক্তসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নতুন করে ৩০০টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। আগে লাগানো ছিল ২০০ টি ক্যামেরা। নতুন পুরাতন মিলে বর্তমানে ঢামেকে ৫০০ সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে।

    হাসপাতালের ভেতরে ও চত্বরে এই সিসি ক্যামেরাগুলো লাগানো হয়েছে। হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে দুটি বিশাল টিভি মনিটর আছে। সেখানে কাজের ফাঁকে ফাঁকে তিনিও সেগুলো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।

    বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) হাসপাতালে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, রোগীদের মালামাল, বিশেষ করে টাকা-পয়সা, মোবাইল এগুলো চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনা বেড়ে গেছে। হাসপাতালে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার বিষয়ে কোনো বিধি-নিষেধ না থাকার কারণে চোররা বিভিন্নভাবে রোগীদের মালামাল হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেক সময় তারা ধরাও খাচ্ছে।

    তারা আরও জানান, হাসপাতালে কোথায় কি হচ্ছে, সবকিছুই এখন সিসি ক্যামেরায় দেখা যাচ্ছে। হাসপাতালের স্টাফরা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করছেন কিনা ও অন্যান্য বিষয়গুলো সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া বলেন, হাসপাতালে রোগীদের ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা দিয়ে থাকে আনসার সদস্যরা। হাসপাতাল থেকে আমাদের কাছে বেশি অভিযোগ আসে মোবাইল চুরির ঘটনা নিয়ে। রোগী ও স্বজনদের প্রতিনিয়ত মোবাইল চুরি হয়ে যায়।

    তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে রোগীর স্বজনদের অজ্ঞান করে টাকা পয়সা নেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

    এই বিষয়ে হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক বলেন, হাসপাতালে অস্ত্রোপচারকক্ষ ও কিছু কিছু প্রাইভেসি জায়গা ছাড়া সব স্থান সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। সিসি টিভি ফুটেজের কল্যাণে চোরদের আইনের আওতায় আনা যাচ্ছে।

    ইদানিং দেখা যাচ্ছে আমরা ঘটনাটি জানতে পারছি কিন্তু যে চুরি করছে তাকে শনাক্ত করতে সমস্যা হচ্ছে। আমরা সেটারও ব্যবস্থা নিচ্ছি। মানুষের কষ্ট দূর করতে আমরা কাজ করছি।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাসপাতালে চুরির অভিযোগ, টাকা লেনদেনসহ নানা হয়রানির অভিযোগ থাকে।  চোর শনাক্ত ছাড়াও স্টাফরা সঠিক ভাবে কাজ করছে কিনা, এসব বিষয় সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করা হয়।

    নাজমুল হক বলেন, এটেনডেন্টের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এটেনডেন্ট পাশ ছাড়া হাসপাতালে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। এটা যদি পুরোপুরি কার্যকর করা যায় তাহলে হাসপাতালের ভেতর একেবারেই বহিরাগতদের প্রবেশ থাকবে না।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ