ঢাকা বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বিসিসির সাবেক জনপ্রিয় কাউন্সিলর সৈয়দ জাকির হোসেন জেলালের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কোরবানির পশুর হাটে মহিষের গুঁতায় দুই ক্রেতা নিহত দাঁতের যন্ত্রণায় ছটফট করছেন নেতানিয়াহু, নেয়া হলো হাসপাতালে বরগুনায় দুর্গন্ধ থেকে মিললো অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত লাশ বরিশালে বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় মা-বাবা ও শিশু সন্তান নিহত বরিশালের বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. সৈয়দ হাবিবুর রহমান আর নেই বরিশাল নগরীর সাগরদীতে ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসা, গ্রেপ্তার ৪ পাথরঘাটায় সাবেক মেয়র আনোয়ার গ্রেপ্তার টানা তাপপ্রবাহে ভারতের এক রাজ্যে ১৬ জনের মৃত্যু বরিশালে কদর বেড়েছে  তেঁতুল গাছের খাটিয়ার
  • ঠান্ডা থেকে শিশুকে বাঁচাবেন যেভাবে

    ঠান্ডা থেকে শিশুকে বাঁচাবেন যেভাবে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    শুধু শীতকালীন সময়েই নয়, পুরো বছর জুড়েই শিশুদের মাঝে ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও রোগের প্রকোপ দেখা যায়। তবে স্বাভাবিকভাবেই শীতকালে এর প্রভাব বেড়ে যায় বেশ অনেকখানি। নিজের খেয়াল বড়রা রাখতে জানলেও, ছোটদের দেখভালের জন্য বড়দের সতর্কতা ও সাবধানী হতে হয়। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, সামনে বাড়তে পারে শীতের প্রকোপ।


    এ সময়ে শিশুদের কীভাবে ঠান্ডার হাত থেকে নিরাপদে রাখবেন সেটাই তুলে ধরা হলো। আবহাওয়াজনিত কারণে যতটা না ঠান্ডার সমস্যা দেখা দেয়, হাত অপরিষ্কার থাকার ফলে তার চাইতে বেশি অসুস্থতায় ভুগতে হয় শিশুদের। তাই হাতের সাহায্যে খাবার খাওয়ার আগে যেন অবশ্যই হাত ধুয়ে নেওয়া হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং চেষ্টা করতে হবে শিশুদের হাত যেন সবসময় পরিষ্কার থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা। হাঁচি দেওয়ার সঠিক পদ্ধতিটি শুধু শিশুরা নয়, অনেক প্রাপ্তবয়স্করাও জানেন না। অথচ একটি হাঁচি থেকেই অসুস্থ হতে পারে একসাথে কয়েকজন।


    এমনকি নিজের হাঁচি থেকেও জীবাণু ঘুরে আসার দরুন থেকে যেতে পারে অসুস্থতা। তাই এই বিষয়টি জেনে রাখা খুবই জরুরি। এক বছরের উপরে সকল শিশুই মধু খেতে পারবে। উপকারী প্রাকৃতিক এই উপাদানটিকে শিশুদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে অংশ করে নিতে পারলে ঠান্ডার সমস্যাকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। তবে মধু একবারে খুব বেশি খাওয়ানো যাবে না। প্রতিদিন এক চা চামচ পরিমাণ বিশুদ্ধ মধুই যথেষ্ট।


    শিশুরা সবসময় ছুটোছুটির মাঝে থাকে বলে গরম কাপড় পরতে চায় না। এ সময়েই ঠান্ডা বাঁধিয়ে বসে তারা। তাই গরম কাপড় পরতে না চাইলেও বাইরের আবহাওয়া বুঝে গরম কাপড় পরাতে হবে। বিশেষ করে পা মোজা ও কান টুপি পরিয়ে রাখতে হবে বিকেলের পর থেকে। তবে যেহেতু শিশুদের শরীরের তাপ তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে, তাই খেয়াল রাখতে হবে শরীর যেন ঘেমে না যায়। নতুবা ঘাম বসেও ঠান্ডার সমস্যা দেখা দিতে পারে।


    আবহাওয়া বেশি ঠান্ডা হলে অনেকে শিশুরাই গোসল করতে চায় না। কিন্তু তাদের এই আবদার না শুনে প্রতিদিন অবশ্যই গরম পানি মিশ্রিত কুসুম গরম পানিতে গোসল করাতে হবে। গোসলের মাধ্যমে পুরো শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব হয়, এতে করে ছোঁয়াচে ধরনের অসুখে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। গোসলের আগে মাথার তালু, হাত-পায়ের তালু ও বুকে সরিষা তেল মালিশ করে নিলে গোসলের কারণে ঠান্ডা লাগার কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

     


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ