ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • সাগরে গভীর নিম্নচাপ, সোমবার তৈরি হতে পারে ঘূর্ণিঝড় উদ্বোধনী ম্যাচের মতো ডি থ্রি টি-টোয়েন্টির ফাইনালও বরিশালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ডোবায় ইতালি পরিবহন নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে জেলেদের নিউইয়র্ক স্টেটের বার পরীক্ষার সনদ পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তাসিন স্থানীয় নির্বাচন:  বরগুনায় ইসলামী আন্দোলনের ৪৫ প্রার্থী ঘোষণা ‎বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি ওমর ফারুক, সম্পাদক আল আমিন গাজী সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মানিকের লাশ দাফনে বাধা, গোপনে গার্ড অব অনার বরিশালে বিএনপি নেতার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের দখলকৃত জমি উদ্ধার ও মাজার কার্যক্রম বন্ধ নাজমুল হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ
  • ঠান্ডা থেকে শিশুকে বাঁচাবেন যেভাবে

    ঠান্ডা থেকে শিশুকে বাঁচাবেন যেভাবে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    শুধু শীতকালীন সময়েই নয়, পুরো বছর জুড়েই শিশুদের মাঝে ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও রোগের প্রকোপ দেখা যায়। তবে স্বাভাবিকভাবেই শীতকালে এর প্রভাব বেড়ে যায় বেশ অনেকখানি। নিজের খেয়াল বড়রা রাখতে জানলেও, ছোটদের দেখভালের জন্য বড়দের সতর্কতা ও সাবধানী হতে হয়। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, সামনে বাড়তে পারে শীতের প্রকোপ।


    এ সময়ে শিশুদের কীভাবে ঠান্ডার হাত থেকে নিরাপদে রাখবেন সেটাই তুলে ধরা হলো। আবহাওয়াজনিত কারণে যতটা না ঠান্ডার সমস্যা দেখা দেয়, হাত অপরিষ্কার থাকার ফলে তার চাইতে বেশি অসুস্থতায় ভুগতে হয় শিশুদের। তাই হাতের সাহায্যে খাবার খাওয়ার আগে যেন অবশ্যই হাত ধুয়ে নেওয়া হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং চেষ্টা করতে হবে শিশুদের হাত যেন সবসময় পরিষ্কার থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা। হাঁচি দেওয়ার সঠিক পদ্ধতিটি শুধু শিশুরা নয়, অনেক প্রাপ্তবয়স্করাও জানেন না। অথচ একটি হাঁচি থেকেই অসুস্থ হতে পারে একসাথে কয়েকজন।


    এমনকি নিজের হাঁচি থেকেও জীবাণু ঘুরে আসার দরুন থেকে যেতে পারে অসুস্থতা। তাই এই বিষয়টি জেনে রাখা খুবই জরুরি। এক বছরের উপরে সকল শিশুই মধু খেতে পারবে। উপকারী প্রাকৃতিক এই উপাদানটিকে শিশুদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে অংশ করে নিতে পারলে ঠান্ডার সমস্যাকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। তবে মধু একবারে খুব বেশি খাওয়ানো যাবে না। প্রতিদিন এক চা চামচ পরিমাণ বিশুদ্ধ মধুই যথেষ্ট।


    শিশুরা সবসময় ছুটোছুটির মাঝে থাকে বলে গরম কাপড় পরতে চায় না। এ সময়েই ঠান্ডা বাঁধিয়ে বসে তারা। তাই গরম কাপড় পরতে না চাইলেও বাইরের আবহাওয়া বুঝে গরম কাপড় পরাতে হবে। বিশেষ করে পা মোজা ও কান টুপি পরিয়ে রাখতে হবে বিকেলের পর থেকে। তবে যেহেতু শিশুদের শরীরের তাপ তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে, তাই খেয়াল রাখতে হবে শরীর যেন ঘেমে না যায়। নতুবা ঘাম বসেও ঠান্ডার সমস্যা দেখা দিতে পারে।


    আবহাওয়া বেশি ঠান্ডা হলে অনেকে শিশুরাই গোসল করতে চায় না। কিন্তু তাদের এই আবদার না শুনে প্রতিদিন অবশ্যই গরম পানি মিশ্রিত কুসুম গরম পানিতে গোসল করাতে হবে। গোসলের মাধ্যমে পুরো শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব হয়, এতে করে ছোঁয়াচে ধরনের অসুখে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। গোসলের আগে মাথার তালু, হাত-পায়ের তালু ও বুকে সরিষা তেল মালিশ করে নিলে গোসলের কারণে ঠান্ডা লাগার কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

     


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ