ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পটুয়াখালী ও পিরোজপুর‌সহ চার জেলায় নতুন ডিসি বরিশালে নানা আয়োজনে জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ তজুমদ্দিনে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গ্রেপ্তার সাবেক এমপি রিমনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মী রিমান্ডে চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ : পীর চরমোনাই একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন তিন আসামির জবানবন্দিতে উঠে এলো অপ্রতিম হত্যার ভয়াবহ বর্ণনা দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করতে কমিটি, বিদেশ ভ্রমণে লাগাম টানার নির্দেশ বিসিসিতে পানি সরবরাহ আধুনিকীকরণে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে আলোচনা
  • মা-বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস, ৩০ মিনিট পর ছেলের মৃত্যু

    মা-বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস, ৩০ মিনিট পর ছেলের মৃত্যু
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    বাবা-মাকে নিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দেওয়ার ত্রিশ মিনিট পর মুজাহিদুল আলম সজিব নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে অফিসে কর্মরত অবস্থায় মারা যান তিনি।

    মুজাহিদুল আলম সজিব (৩৫) বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের আবদুর রশীদ মিয়ার ছেলে। তিনি গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় এজিএম পদে কর্মরত ছিলেন। 

    স্বজনরা জানায়, সজিব গাজীপুরে ইসলাম গ্রুপের একটি পোশাক কারখানায় এজিএম পদে কর্মরত ছিল। প্রতিদিনের মতো সোমবারও তিনি অফিসে কাজ করছিলেন। কাজের ফাঁকে দুপুর আড়াইটা নাগাদ ফেসবুকে বাবা-মাকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। এর আধা ঘণ্টা পর তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সহকর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে কোনাবাড়ী হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

    সজিবের সহকর্মী ফয়সাল আহমেদ বলেন, সজিব তার ডেক্সে কাজ করছিলেন। বিকেল ৩টার দিকে তিনি ওয়াশরুমে যান। ওয়াশরুম থেকে হাতমুখ ধুয়ে এসে আবার ডেস্কে বসলে তিনি চেয়ার থেকে পড়ে যান। পরে তাকে ধরাধরি করে অফিসের মধ্যেই শোয়ানো হয়। সজিবের অবস্থার অবনতি হলে আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতালের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর আধা ঘণ্টা আগে সজিব বাবা-মাকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।

    মুজাহিদুল আলম সজিবের দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো- দ্বিমত থাকতেই পারে। কিন্তু আমি জানি এবং বিশ্বাস করি, আয় যত কষ্টেরই হোক না কেন, নিজের বাবা-মায়ের মুখে খাবার তুলে দেওয়া, বাবা-মায়ের দেখাশোনা করার দায়িত্ব শুধু সৌভাগ্যবানরাই নিতে পারে। নিজের বাবা-মাকে সম্মান করুন, শ্রদ্ধা করুন, ভালোবাসুন। বাবা-মা যে কী জিনিস তা যাদের বাবা-মা নেই তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করুন, তাদের থেকে ভালো উত্তর আর কেউই দিতে পারবে না।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ