ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • অসময়ে বৃষ্টি ইট ভাটায় ব্যাপক ক্ষতি

    অসময়ে বৃষ্টি ইট ভাটায় ব্যাপক ক্ষতি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    কয়লার দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশির ভাগ ইট ভাটা চলতি মৌসুমে বন্ধ রয়েছে। তার উপর হঠাৎ অসময়ে টানা বৃষ্টির কারণে ইটভাটার ব্যাপক ক্ষতেতে ভাটা মালিকরা মাথায় হাত দিয়ে বসেছে। এ যেন মরার উপর খড়ার ঘাঁ। যে কারণে অবকাঠামো উন্নয়ন মারাত্মকভাবে ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার হতে শনিবার পর্যন্ত গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার উপর দিয়ে হঠাৎ টানা বৃষ্টি প্রবাহিত হয়। সে কারণে জনজীবন বিপর্যস্তসহ ইটভাটা মালিক এবং আলু চাষিদের অপুরনীয় ক্ষতি সাধন হয়েছে। বর্তমান সমাজের সকল স্তরের মানুষজন ইটের ঘর তৈরি করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। টিনের ঘরের প্রতি অনেকের আগ্রহ কমে গেছে। ঠিক সেই মর্হুতে নানা প্রতিকুলতায় ইট, রর্ড, সিমেন্ট ও বালুর দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকায় বিপাকে ঘর নিমার্ণকারিগণ।

    উপজেলা ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম জানান, উপজেলার ২৬টি ইটভাটার মধ্যে কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় ১০টি ভাটা বন্ধ রয়েছে। হঠাৎ বৃষ্টির কারণে প্রতিটি ইটভাটায় ১৫ হতে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত বছর কয়লার টন ছিল ১১ হাজার টাকা। চলতি মৌসুমে তা বেড়ে দাড়িয়েছে ২২ হাজার টাকা। কয়লার দাম বৃদ্ধির সুনিদিষ্ট কোন কারণ আজও জানা যায়নি। এভাবে কয়লার দাম বাড়তে থাকলে আগামিতে সকল ইটভাটা বন্ধ হয়ে যাবে। অবকাঠামো নিমার্ণকারী ধুমাইটারী গ্রামের সবুজ মিয়া জানান, বর্তমানে ১নং এক হাজার ইটের দাম ১২ হাজার টাকা।

    গত বছর যার দাম ছিল ৮ হাজার টাকা। যে হারে ইটের দাম বাড়ছে, তাতে করে ইটের ঘর নিমার্ণ করা যাবে না। ঠিকাদার জাহাঙ্গীর আলম জানান. সিডিউল মোতাবেক ঠিকাদারী নির্মাণ কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ বর্তমানে ইটের দাম যে হারে বেড়ে চলছে তাতে করে ঠিকাদারী কাজ করে লোকসান গুনতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইটের পাশাপাশি রড়, সিমেন্ট, বালুরও দাম বেড়ে গেছে। এভাবে সকল উপকরণের দাম বাড়তে থাকলে উন্নয়ন মারাত্মকভাবে ব্যহত হবে। উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, প্রাকৃতি দুর্যোগে আসলে কার হাত থাকে না। অসময়ের বৃষ্টি ইটভাটার অনেক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সরকারের নজরে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।


    এমইউআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ