ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরিশালে নয়টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ২১৫টি পদ থাকলেও শূন্য ৭৯টি, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা নানা আয়োজনে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত কলাপাড়ায় মাছের ঘের থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার উজিরপুরে দুর্নীতির অভিযোগে ভূমি অফিসের দুই কর্মচারী প্রত্যাহার, গাড়িচালককে অব্যাহতি বরিশালে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি ঝালকাঠিতে ফুটপাতে অবৈধ দখল, অটোরিকশা স্ট্যান্ড ও যত্রতত্র পার্কিং অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন সাগরে গভীর নিম্নচাপ, সোমবার তৈরি হতে পারে ঘূর্ণিঝড় উদ্বোধনী ম্যাচের মতো ডি থ্রি টি-টোয়েন্টির ফাইনালও বরিশালে
  • যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলায় পুলিশ পরিদর্শক গ্রেপ্তার

    যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলায় পুলিশ পরিদর্শক গ্রেপ্তার
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    স্ত্রীর দায়ের করা নির্যাতনের মামলায় চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শামসুদ্দোহাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি এম এ জলিল জানান, বুধবার রাতে ঢাকার রাজাবাজার এলাকা থেকে শামসুদ্দোহাকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় আনা হয়।

    গ্রেপ্তার শামসুদ্দোহা (৪০) গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার পশ্চিম গোপীনাথপুর গ্রামের নুরুদ্দিন আহম্মেদের ছেলে। তিনি ঢাকার খিলক্ষেত এলাকার বিকান লেকসিটি কনকর্ড টাওয়ারে থাকেন।

    ওসি জলিল বলেন, পুলিশ পরিদর্শক শামসুদ্দোহা চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে কর্মরত আছেন। তার স্ত্রী ফারজানা খন্দকার তুলি বাদী হয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় তার বিরুদ্ধে যৌতুক, মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর শামসুদ্দোহাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    মামলার বাদী তুলি বলেন, “২০১৫ সালের ৭ আগস্ট পারিবারিকভাবে শামসুদ্দোহার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। এরপর ২০১৯ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত আমি ফরিদপুরে বাবার বাড়িতে ছিলাম। পরে ওই বছরের নভেম্বর মাসে স্বামীর চাকুরির সুবাদে যশোরে নিয়ে যায় আমাকে। সেখানে ভাড়া বাসায় আমরা বসবাস করতে শুরু করি। কয়েকদিন পর থেকেই তার আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করি। ওই সময় জানতে পারি সে অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে পরোকীয়ার সম্পর্কে জড়িত। আমি বাধা দিলে ওই সময় থেকেই আমার উপর নির্যাতন শুরু হয়।

    তুলি আরও বলেন, “যশোরে যাওয়ার পর আমার কাছে তার প্রমোশনের জন্য ৭০ লাখ টাকা বাবার কাছ থেকে এনে দিতে বলে। আমি ওই সময় ১৫ লাখ টাকা দেই, কিন্তু সে তাতে খুশি হয়নি। এরপর আরও নির্যাতন বাড়তে থাকে। প্রতিদিন নেশা করে এসে আমাকে মারধর করত।

    “ওই সময় আমি সেখান থেকে বাবার বাড়ি চলে আসি। তখন আমি ৩ মাসের অন্তঃস্বত্তা। বাবার বাড়িতেই আমি ছেলে সন্তানের জন্ম দেই। সন্তানের বয়স এখন দুই বছর। সন্তানের মুখ পর্যন্ত এখনও দেখেনি। বাবার বাড়িতে আসার পর সে আমাকে ফোন দিয়ে বলে টাকা নিয়ে আসতে পারলে আসবা, তা না হলে আসার দরকার নেই। তাই নিরুপায় হয়ে আমি থানায় মামলা দায়ের করি।“

    ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান জানান, শামসুদ্দোহাকে শুক্রবার বিকালে নি¤œ আদালতে হাজির করা শেষে পুলিশ হেপাজতে নেয়া হয়েছে।

    শরিফুল ইসলাম শাহরিয়ার/ ফরিদপুর

     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ