হারিছ চৌধুরীর রেড নোটিশ সরাতে ‘মৃত’ প্রমাণের দায়িত্ব পরিবারের: সিআইডি

বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর পরিবার যদি ‘মৃত্যু’ প্রমাণ করতে পারে তবেই পলাতক আসামি হিসেবে তার নামে থাকা রেড নোটিস প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলার মামলায় যাবজ্জীবন সাজা নিয়ে পলাতক হারিছ চৌধুরী মারা গেছেন জানিয়ে গত কয়েক দিন ধরে গণমাধ্যমে খবর বের হয়; এরপর তা নিয়ে শুরু হয় তদন্ত।
এ বিষয়ে সিআইডি প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি) মাহবুবুর রহমান শনিবার রাতে গনমাধ্যমকে জানান, ‘প্রাথমিক তথ্য’ পেলেও হারিছ চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে কি না সেটা প্রমাণ করার দায়িত্ব পরিবারের।
বলা হচ্ছে, মাহমুদুর রহমান নামে ঢাকায় থাকা হারিছ চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে এভারকেয়ার হাসপাতালে, গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর। তাকে দাফন করা হয়েছে ঢাকার সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের জালালাবাদের কমলাপুর এলাকায় জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যীন মাদ্রাসায় কবরস্থানে।
তবে বাংলাদেশে আইনের চোখে পলাতক হারিছ চৌধুরীর ছবি এখনও ঝুলছে ইন্টারপোলের রেড নোটিসে। মৃত্যু নিশ্চিত হলে এ তালিকা থেকে তার নাম বাদ পড়ার কথা।
হারিছ চৌধুরীর পরিবারের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে সিআইডি প্রধান মাহবুবুর রহমান বলেন, “… করেছি, অলরেডি ইনফরমেশন পেয়েছি। কিন্তু তার ফ্যামিলি প্রমাণ করুক যে, সে মারা গেছে।
“আমরা একটা ফাউন্ডিং নিয়েছি, কিন্তু আমরা তাকে কোনো বেনিফিট দেব না।”
সিআইডি প্রধান বলেন, “মোটামুটি একটি… এসেছি কিন্তু এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব তাদের ফ্যামেলির। আমরা তাকে বেনিফিট দেব কেন? আমি যদি বলি তাকে মৃত, সে অনেক বেনিফিট পেয়ে যাবে।
“তার… আমি কেন প্রমাণ করে দেব? সে আমার আসামি, আমি রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করব, আমি প্রসিকিউশন। আমার কাছে অফিসিয়ালি তার ফ্যামেলি যেহেতু এখনও প্রমাণ করতে পারেনি…।”
সিআইডির কর্মকর্তারা জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে কারও লাশ শনাক্তের মাধ্যম হতে পারে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ডিএনএ পরীক্ষা করা।
এইচকেআর