ঢাকা বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল সদর ‍উপজেল‍ার চরকাউয়ায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা  বরিশ‍াল নগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় যুবক আহত অ্যাডভোকেট হলেন সাংবাদিক বেলাল বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার
  • হারিছ চৌধুরীর রেড নোটিশ সরাতে ‘মৃত’ প্রমাণের দায়িত্ব পরিবারের: সিআইডি

    হারিছ চৌধুরীর রেড নোটিশ সরাতে ‘মৃত’ প্রমাণের দায়িত্ব পরিবারের: সিআইডি
    হারিছ চৌধুরী (বাঁয়ে), ডানের ছবিটি মাহমুদুর রহমানের, যিনি আসলে হারিছ চৌধুরী বলে দাবি উঠেছে।
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর পরিবার যদি ‘মৃত্যু’ প্রমাণ করতে পারে তবেই পলাতক আসামি হিসেবে তার নামে থাকা রেড নোটিস প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

    ২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলার মামলায় যাবজ্জীবন সাজা নিয়ে পলাতক হারিছ চৌধুরী মারা গেছেন জানিয়ে গত কয়েক দিন ধরে গণমাধ্যমে খবর বের হয়; এরপর তা নিয়ে শুরু হয় তদন্ত।

    এ বিষয়ে সিআইডি প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি) মাহবুবুর রহমান শনিবার রাতে গনমাধ্যমকে জানান, ‘প্রাথমিক তথ্য’ পেলেও হারিছ চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে কি না সেটা প্রমাণ করার দায়িত্ব পরিবারের।

    বলা হচ্ছে, মাহমুদুর রহমান নামে ঢাকায় থাকা হারিছ চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে এভারকেয়ার হাসপাতালে, গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর। তাকে দাফন করা হয়েছে ঢাকার সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের জালালাবাদের কমলাপুর এলাকায় জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যীন মাদ্রাসায় কবরস্থানে।

    তবে বাংলাদেশে আইনের চোখে পলাতক হারিছ চৌধুরীর ছবি এখনও ঝুলছে ইন্টারপোলের রেড নোটিসে। মৃত্যু নিশ্চিত হলে এ তালিকা থেকে তার নাম বাদ পড়ার কথা।

    হারিছ চৌধুরীর পরিবারের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে সিআইডি প্রধান মাহবুবুর রহমান বলেন, “… করেছি, অলরেডি ইনফরমেশন পেয়েছি। কিন্তু তার ফ্যামিলি প্রমাণ করুক যে, সে মারা গেছে।

    “আমরা একটা ফাউন্ডিং নিয়েছি, কিন্তু আমরা তাকে কোনো বেনিফিট দেব না।”

    সিআইডি প্রধান বলেন, “মোটামুটি একটি… এসেছি কিন্তু এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব তাদের ফ্যামেলির। আমরা তাকে বেনিফিট দেব কেন? আমি যদি বলি তাকে মৃত, সে অনেক বেনিফিট পেয়ে যাবে।

    “তার… আমি কেন প্রমাণ করে দেব? সে আমার আসামি, আমি রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করব, আমি প্রসিকিউশন। আমার কাছে অফিসিয়ালি তার ফ্যামেলি যেহেতু এখনও প্রমাণ করতে পারেনি…।”

    সিআইডির কর্মকর্তারা জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে কারও লাশ শনাক্তের মাধ্যম হতে পারে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ডিএনএ পরীক্ষা করা।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ