ঢাকা শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু বরিশাল সদর ‍উপজেল‍ার চরকাউয়ায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা  বরিশ‍াল নগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় যুবক আহত অ্যাডভোকেট হলেন সাংবাদিক বেলাল বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • অস্তিত্ব সংকটে আমতলীর নদ নদী

    অস্তিত্ব সংকটে আমতলীর নদ নদী
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনার আমতলী উপজেলার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া খরস্রোতা নদ-নদীগুলো এখন দখল-দূষণে বিপন্ন। দখল-দূষণ এবং নাব্যতা  হারিয়ে অস্তিত্ব সংকটে মরা খালে পরিণত হয়েছে উপজেলার অন্তত ১০টি নদী। নদীগুলো এখন চর জমিতে  পরিণত হচ্ছে। অনেক স্থানে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে নদীর অস্তিত্ব। একসময়ের নদীকেন্দ্রিক জীবিকায় নির্ভরশীলরা এখন পেশা বদলে অচেনা পেশায় টিকে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত।

    আমতলী উপজেলায়, বাশবুনিয়া, টেপুরা, চিলা, হলদিয়া ঘুঘুমারী, শখারিয়া, গুলিশাখালী, চাওড়া, আরপাঙ্গাশিয়া, কুকুয়া, ধানখালীসহ ১০টি নদী রয়েছে। এই নদীগুলোর বুকে এখন কেউ বা ধান গাছ, কেউ বা কৃষিপণ্য রোপণ করে দখল করে নিয়েছেন। অনেকে ঘের দিয়ে পানি আটকিয়ে মাছ ধরছে।

    এতে এক দিকে যেমন ফসলে সেচের অভাব দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে দেশীয় মাছ। সরজমিনে ঘুরে প্রায় সবগুলো নদীর এই চিত্র চোখে পড়েছে।

    জানা যায়, এক সময় উপজেলার এ নদীগুলো  দিয়ে বড় বড় নৌ-যান চলাচল ছিল। নদী পথে বিভিন্ন স্থান থেকে মালামাল আমদানি-রপ্তানি করা হতো। বর্তমানে নদীর সেই জৌলুস আর নেই।  দখল-দূষণ আর নাব্যতা সংকটে বিলীনের পথে ঐতিহ্যবাহী নদীগুলো।

    গুলিশাখালী ইউনিয়নের রাকিবুল হাসান সুমন মালিয়া  জানান,  নদী থেকে ফসলের জন্য পানি দিয়ে ফসল ফলাতাম। কিন্তু নদী ভরাট হয়ে দখল হয়ে যাওয়ায় সেই ব্যবস্থা এখন আর নেই।

    ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড: মো. মনিরুল ইসলাম  বলেন, নদীগুলো নাব্যতা  সংকটে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। এসব নদী খনন করা হলে কৃষকদের জন্য ভালো হতো।

    উপজেলার সাধারন কৃষকরা মরা নদী ও খালগুলো খনন করার দাবী জানিয়েছেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে।
    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হবে।


    এমইউআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ