সক্ষমতা বাড়াতে আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

অতিমারি করোনার প্রভাব কাটাতে নগরকেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এ ছাড়া আগামীতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে যতটা সম্ভব প্রস্তুত রাখা হবে। এ জন্য দেশের ১০টি সিটি করপোরেশন এবং ৩২৯টি পৌরসভাকে প্রয়োজনীয় অর্থ সরবরাহের পাশাপাশি তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
লোকাল গভর্নমেন্ট কভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি (এলজিসিআরআর) শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে দুই হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন করা হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বৈঠকে সংযুক্ত হন তিনি। একনেকের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে।
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্পে (আরএডিপি) বরাদ্দহীন অননুমোদিত প্রকল্প হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দুই হাজার ৫৪৪ কোটি টাকার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ)। প্রকল্প ব্যয়ের বাকি ১১ কোটি টাকার জোগান দেওয়া হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। আগামী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা।
সূত্র জানিয়েছে, করোনা নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় সরকারের সক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও প্রকল্পটির আওতায় পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে পরিচালিত স্থানীয় হাট-বাজার, কবরস্থান, শ্মশান, পাবলিক টয়লেট নির্মাণ ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী সরবরাহ করা হবে। অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামো যেমন- ড্রেন নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ, পানি সরবরাহ ও সড়ক বাতি স্থাপনের মতো কার্যক্রমও রয়েছে প্রকল্পের আওতায়। এ ছাড়া নগর প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবা ও তথ্যের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে মোবাইল অ্যাপস, আইসিটি প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও থাকছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশনের নিজস্ব রাজস্ব বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
এমইউআর