ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • হিজলায়  সাবেক চেয়ারম্যান টিপু সিকদারের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক  বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করতে গিয়ে  ট্রলারডুবি, ৫ জেলে নিখোঁজ বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তার  বরিশাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ বরিশালে দিনব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী ও ডেটা সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ রোববার সাংবাদিক এম মিরাজের নামাজে জানাজা মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, দ্রুত উদ্যোগ নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ভোলায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিনসহ আটক ১ ৩ ফুটবলারসহ আর্জেন্টিনাকে কঠোর শাস্তি দিলো ফিফা
  • আলোচিত মিতু হত্যার আদ্যোপান্ত 

    আলোচিত মিতু হত্যার আদ্যোপান্ত 
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০০৬ সালের ৫ জুন। ভোর প্রায় সাড়ে ৬টা। চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি ও নিজাম রোডের ইকুইটি সেন্ট্রিয়াম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে সন্তানকে স্কুল বাসে তুলে দিতে বের হন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। 

    বাসা থেকে প্রধান সড়কে এলে মোটরসাইকেলে করে তিন দুর্বৃত্ত সন্তানের সামনেই মিতুকে গুলি করে। একই সময় ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। 

    ঘটনার দিন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার ছিলেন ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে। পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি লাভ করার পর তিনি ওই পদে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি চট্টগ্রামে ফেরেন এবং নগরীর পাঁচলাইশ থানায় স্ত্রী হত্যার দায়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

    জঙ্গী দমন অভিযানে আলোচিত এবং প্রথম সারিতে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে বাবুল আক্তার ছিলেন চট্টগ্রামসহ সমগ্র বাংলাদেশেই আলোচিত। তার স্ত্রী হত্যার ঘটনাটি সারা দেশেই আলোড়ন তৈরি করে। 

    পুলিশ মামলা তদন্তে প্রথমে জঙ্গী সম্পৃক্ততার বিষয়টি মাথায় নিয়ে তদন্ত শুরু করলেও ঘটনার দুই সপ্তাহের মধ্যেই ঘটনা ভিন্ন দিকে মোড় নিতে থাকে। 

    হত্যাকাণ্ডের দুই সপ্তাহ পর ২৪ জুন রাতে ঢাকার বনশ্রী এলাকায় শ্বশুরের বাসা থেকে বাবুল আক্তারকে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। একই দিন বাবুল আক্তার পুলিশের চাকরি থেকে ইস্তফা দেন।

    এই ঘটনার পর থেকে স্ত্রী মিতু হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছিলেন বাবুল আক্তারের শ্বশুর মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। মামলাটির দীর্ঘ তদন্ত কার্যক্রমে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি পুলিশ গ্রেপ্তার করে সাত জনকে। 

    এদের মধ্যে দুই জন পুলিশের ক্রসফায়ারে নিহত হয়। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত সাত জন অভিযুক্তের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে মুছা নামের একজন এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে পুলিশ চিহ্নিত করলেও তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি গত পাঁচ বছরেও। 

    এই হত্যাকাণ্ড তদন্ত করতে গিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ এবং পিবিআই একাধিকবার বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। ২০২০ সালে তদন্তভার নেওয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সর্বশেষ মঙ্গলবার (১১ মে) বাবুল আক্তারকে চট্টগ্রাম কার্যালয়ে ডাকে। 

    চট্টগ্রামস্থ পিবিআই মেট্রো কার্যালয়ে দিনভর বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পিবিআই কর্মকর্তারা।
     
     


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ