ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা দুই শিশুকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা, দেয়ালে লেখা ছিল ‘এই গল্প শেষ’ নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করলেন বিসিসি প্রশাসক  ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কাউনিয়া বালিকা ফাজিল মডেল মাদরাসায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন ভোলায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, গণপিটুনির পর যুবকের মৃত্যু দুর্নীতির মামলায় বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান কাতারে গ্রেফতার শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ ও ৭ দফা দাবিতে পদ্মা ব্লোয়িংয়ে গেট মিটিং সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় রাজাপুরের আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু বরিশালে চার ঘন্টার অভিযানে ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ
  • আরসা নেতা ছিদ্দিক অস্ত্রসহ আটক

    আরসা নেতা ছিদ্দিক অস্ত্রসহ আটক
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মিয়ানমারের বিতর্কিত সশস্ত্র গ্রুপ আরসার (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) নেতা জুবায়ের গ্রুপের প্রধান আবু সিদ্দিককে আটক করেছে ১৪ এপিবিএনের সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে আমর্ড পুলিশের পোশাক, সেনাবাহিনীর বুট ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    সোমবার (৪ এপ্রিল) বালুখালী বালুর মাঠ ক্যাম্প থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক আরসা নেতা বালুখালী ৪ নং ক্যাম্পের বশীর আহমদের পুত্র। 

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. নাইমুল হক। 

    তিনি জানান, আমর্ড পুলিশের পোশাক পরে রাতে আরসার সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতেন আবু ছিদ্দিক। পুলিশের পোশাক পরায় তাকে কেউ চিনতে পারত না। তাই সহজে তার অপকর্ম চালিয়ে যেতেন বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। 

    তিনি আরও জানান, সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতে গিয়ে তিনি পুলিশের হাতে আটক হন। এ সময় তার কাছ থেকে দেশীয় তৈরি এলজি, এপিবিএনের ইউনিফর্ম ও সেনাবাহিনীর জুতা উদ্ধার করা হয়। 

    প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর হারাকা আল-ইয়াকিন নামে যাত্রা শুরু করে বিদ্রোহী গ্রুপটি। পরে তারা আরসা নামে কাজ শুরু করে। সশস্ত্র এই গ্রুপটি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার সরকারের নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কাজ করে। অনেকের মতে, মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে আরসার যোগাযোগ রয়েছে।

    আরসা নেতা আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনজুনি এলিয়াস হাফিজ তোহা পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন। আতাউল্লাহর বাব-মা ১৯৬০ সালে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে করাচি চলে যান। 

    সূত্রে জানা যায়, আতাউল্লাহ তোহার অনেক জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। আইএসআই, আরাকান হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী এবং লস্কর-ই তৈয়বা তার কাজে সহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের কাছ থেকে আতাউল্লাহ তোহা শুধু অস্ত্রের জোগানই পাননি, একই সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতাও নিয়েছেন।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ