ঢাকা সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু বরিশাল সদর ‍উপজেল‍ার চরকাউয়ায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা  বরিশ‍াল নগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় যুবক আহত অ্যাডভোকেট হলেন সাংবাদিক বেলাল বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • মহাসড়ক বন্ধক রেখে ১৫ কোটি টাকার ঋণ!

    মহাসড়ক বন্ধক রেখে ১৫ কোটি টাকার ঋণ!
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    জালিয়াতির মাধ্যমে রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাড়কের একাংশের জামির মালিক হন গোলাম ফারুক নামে এক ব্যক্তি। পরে জমি বন্ধক রেখে বেসরকারি একটি ব্যাংক থেকে নেন ১৫ কোটি টাকার ঋণ। ঋণ পরিশোধ না করায় মহাসড়কের ওই অংশের জমি নিলামে তোলে ব্যাংক।

    শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব এ তথ্য জানিয়েছে। র‍্যাব বলছে, গোলাম ফারুক নামে ওই ব্যক্তি মাত্র ৩০ হাজার টাকায় ওই জমি কিনে নিজের নামে নিবন্ধন করেন। এতে সাবরেজিস্ট্রি অফিস এবং ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তারা তাঁকে সহায়তা করেন। ওই জমি সরকারি সংস্থা সড়ক ও জনপথ বিভাগের।

    রাজধানীর বাড্ডা থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার উত্তরা থেকে গোলাম ফারুক এবং তাঁর সহযোগী ফিরোজ আল মামুনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। জিজ্ঞাসাবাদে গোলাম ফারুক উত্তরার আজমপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের একটি অংশ ক্রয়, নিবন্ধন ও ঋণ নিয়ে আত্মসাতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৮টি মামলা রয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন জানান, উত্তরার আজমপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওই অংশের জমি অধিগ্রহণ করা হয় ১৯৪৮ সালে। ২০০৬ সালে ওই জমির ভুয়া দলিল তৈরি করেন গোলাম ফারুক। ২০১০ সালে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই জমি নিজের স্ত্রীর নামে কিনে আরেকটি ভুয়া দলিল তৈরি করেন গোলাম ফারুক। ওই বছরই স্ত্রীর কাছ থেকে জমিটি নিজের নামে করে নেন গোলাম ফারুক। মূলত ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করতেই গোলাম ফারুক জালিয়াতি করেছেন।

    র‌্যাব কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, জালিয়াতি করে নিজের নামে নিবন্ধন করা মহাসড়কের জমি বন্ধক রেখে একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ১৫ কোটি টাকার ঋণ নেন ফারুক। ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করায় ২০১৩ সালে ব্যাংক ওই জমি নিলামে বিক্রির নোটিশ জারি করে। কিন্তু সরেজমিনে ব্যাংক দেখতে পায় ওই জমিটি সড়ক ও জনপথের। তখন গোলাম ফারুক আবারও জালিয়াতি করে বন্ধক রাখা জমির দাগ নম্বর পরিবর্তন করে পাশের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির দাগ নম্বর উল্লেখ করে ভ্রম সংশোধন দলিল করেন। ব্যাংক সেই জমিতে বন্ধকি সম্পত্তির সাইনবোর্ড স্থাপন করতে গেলে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ