ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’: দুদক সচিব ভোলায় গড়ে তোলা হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানা : সংসদে প্রধানমন্ত্রী সংকটের মধ্যে রাঙ্গাবালীতে টিউবওয়েল থেকে বের হচ্ছে গ্যাস, জ্বলছে আগুন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন নবাব হোসেন হিজলায় নারী মুদি দোকানীর আত্মহত্যা  ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি, মূলহোতাসহ গ্রেফতার ২ কর্মস্থলে অনুপস্থিত, বরিশাল ভূমি অফিসের দুই কর্মচারী স্ট্যান্ড রিলিজ উজিরপুরে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও বাসের সংঘর্ষে পথচারী নিহত বরিশালে ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার ২ নবজাতকের মরদেহ পরিচয় শনাক্তে তদন্তে পুলিশ ১৮ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার 
  • জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন

    জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    নোয়াখালী জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুর উদ্দিন মো. জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার লটারীতে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন করেছে স্কুলের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।

    বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে স্কুলের বর্তমান ছাত্র ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।

    শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন থেকে অনিয়ম ও দূর্নীতি করে আসছে। ছাত্র ও শিক্ষকদেরকে নানান হয়রানি করে। নাম প্রকাশে কয়েকজন শিক্ষক জানান, নানান অজুহাত সৃষ্টি করে শিক্ষকদের বেতন আটকিয়ে হয়রানি করছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ভূয়া ভাউচার সৃজনকরে অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তার বোন সাজেদা সুলতানার ছেলে মোহাম্মদ ওয়াফি ইলহাম কে লটারির মাধ্যমে জালিয়াতি করে ৬ বার একই ক্লাস ৫ম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার লটারী-২০২২ এ নির্বাচিত করেন। এ নিয়ে ফেইসবুক সহ বিভিন্ন স্থানে ভর্তি পরীক্ষার লটারীর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। যাহা বর্তমানে তদন্ত চলছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুর উদ্দিন মো.জাহাঙ্গীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, তবে ভর্তির বিষয়ে চট্টগ্রাম তদন্ত এসেছে।

    এ বিষয়ে শিক্ষা অধিদপ্তরে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক উপ পরিচালক দেবব্রত দাস সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ভর্তির বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত করেছি এবং এক ছাত্রকে একাধিকবার ফলাফলের তালিকায় দেখানো হয়েছে, এটা সত্য। আমি তদন্ত রিপোর্ট শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছি। নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় আমরা একটি তদন্ত করতেছি এবং বোর্ড তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ