শেরে বাংলার নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না

আজ অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক এর ৬০তম মৃত্যুবার্ষিকী। বরিশাল বিভাগ সমিতির উদ্যোগে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা আয়োজন করে। বুধবার সকাল সাড়ে আট টায় মহান নেতার মাজার প্রাঙ্গনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ইতিহাসবিদ সিরাজউদ্দীন আহমেদ ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম এ জলিল এর নেতৃত্বে শেরে বাংলার সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আখতারুজ্জামান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল বিভাগ সমিতির সভাপতি স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ইতিহাসবিদ সিরাজউদ্দীন আহমেদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম এ জলিল এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক রাষ্ট্রদুত অধ্যাপক ড. নীম চন্দ্র ভৌমিক, শেরে বাংলার দৌহিত্র ফায়েজুল হক রাজু, বঙ্গবন্ধু গবেষনা পরিষদ এর সভাপতি, লায়ন গনি মিয়া বাবুল, সাহিত্যিক ও কলামিস্ট, কবি নাহিদ রোকসানা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সহ-সভাপতি মানিক লাল ঘোষ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বরিশাল বিভাগ সমিতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আ স ম মোস্তফা কামাল, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন পাঠান, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সদস্য শেখ বাদশাউদ্দিন মিন্টু, নারী নেত্রী এলিজা রহমান সহ প্রমুখ।
ইতিহাসবিদ সিরাজউদ্দীন আহমেদ বলেন, শেরে বাংলার ইতিহাসকে কেউ মুছে ফেলতে পারবেন না। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল ৬০ বছর আগে শেরে বাংলার জানাজায় অংশগ্রহণ করা। শেরে বাংলার ইতিহাস নিয়ে ১০০০ পৃষ্ঠার একটি বই আমি লিখেছি। সেখানে তাঁর জীবনের নানা বিষয় তুলে ধরেছি। আমি বিশ্বাস করি যারা অতীতকে ভুলে যায় তারা বর্তমানকে নিয়ে কিছুই করতে পারে না। আমি অনুরোধ করব রাষ্ট্রীয় ভাবে শেরে বাংলার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করার যা গত ৩০ বছর এই দাবী জানিয়ে আসছি। শেরে বাংলার বরিশালে যে বাড়িতে তিনি তার স্কুল ও কৈশোর জীবন কাটিয়েছেন সেই বাড়ীটি পুনরুদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় শেরে বাংলার নামে একাডেমী করা হউক।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুও তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে শেরে বাংলার অনেক কথা বলে গেছেন। আমরা সেই আত্মজীবনিও যদি অনুসরণ করি তাহলে শেরে বাংলার মর্যাদার জন্য কোথাও যেতে হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেরে বাংলার নামে একটি চেয়ার প্রতিষ্ঠা করার দাবী জানান।
এমইউআর