বঙ্গপসাগরে ট্রলার ডুবি: চরফ্যাশনের ৮ জেলে নিখোঁজ

ভোলার চরফ্যাশনের উপকূলের ঢালচরের ২১ জেলে নিয়ে গভীর বঙ্গপসাগরে দুটি মাছ ধরার ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অন্যান্য ট্রলারের মাধ্যমে ১৩ জেলে উদ্ধার হলেও এখনও ৮ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
মঙ্গলবার পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর সংলগ্ন বঙ্গপসাগরের ২৫/৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ও ঢালচর সংলগ্ন বঙ্গপসাগরে ২১ জেলে নিয়ে চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউনিয়নের কালাম মাঝি ও ইউসুফ মাঝির ট্রলার দুটি ডুবে যায়।
এ সময় নদীতে থাকা অন্যান্য ট্রলারের জেলেরা ১৩ জনকে উদ্ধার করতে পারলেও এখনও ৮ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্টগার্ডসহ প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থাগুলো কাজ করছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলারের মালিক ইউসুফ মাঝির শ্যালক নেছার কাজি জানান, বৈরি আবহাওয়ায় সাগরে প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে মঙ্গলবার বিকেলে পায়রা বন্দর সংলগ্ন বঙ্গপসাগরের গভীরে ১৩ জেলেসহ ইউসুফ মাঝির মাছধরার ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় ইউসুফ মাঝিসহ ৫ জেলে উদ্ধার হলে ও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া জেলেরা পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
ট্রলারে থাকা জেলেরা প্রত্যেকেই চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানা এলাকার বাসিন্দা।
অপরদিকে ঢালচরের জেলে আবুল হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকাল ঢালচর সংলগ্ন বঙ্গপসাগরের ৮ জেলে নিয়ে ঢালচরের কালাম মাঝির মাছ ধরার ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় ৮ জেলেই অন্যান্য ট্রলারের মাধ্যমে জীবিত উদ্ধার হয়। নিখোঁজ ৮ জেলের মধ্যে দুই জেলের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মোঃ ইসমাইল পিতা মোঃ জাফর, ৮নং ওয়ার্ডের আঃ রহমান পিতা আঃ মন্নান।
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল নোমান জানান, নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও স্থানীয়রা যৌথভাবে কাজ করছে। তবে বৈরি আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এএজে